সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান সফোস নিয়ে এসেছে সাইবার প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘সফোস ফিউশন’। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নতুন ধরনের সাইবার হামলা মোকাবিলা করবে এই ব্যবস্থা, যেখানে নিরাপত্তা টুলের পাশাপাশি পরিষেবা, তথ্য এবং বিশ্লেষকেরও কাজ করবে।
এআইয়ের যুগে সাইবার সুরক্ষার ধরন পাল্টে গেছে। হ্যাকাররা সুসংগঠিতভাবে প্রতিষ্ঠানে হামলা করছে। আগে যেখানে আক্রমণকারীর ক্ষতি করতে কয়েক দিন সময় লাগত, এখন তা হচ্ছে মাত্র কয়েক ঘণ্টায়। কিন্তু বেশির ভাগ নিরাপত্তা দল এখনো আলাদা, আর বিচ্ছিন্ন টুল ব্যবহার করায় তা দ্রুত কাজ করে না। অন্যদিকে, সফোস ফিউশনে নতুন তথ্য যুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ব্যবস্থাটি আরও ভালোভাবে কাজ করে।
সফোসের সাইবার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাটি মূলত চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে তৈরি করা হয়েছে।
শেয়ারড কনটেক্সট লেক, যেখানে সব জায়গার নিরাপত্তা সংকেত বা তথ্য এক জায়গায় তাৎক্ষণিকভাবে চলে আসে।
সিনক্রোনাইজড সিকিউরিটি, অর্থাৎ কোনো এক জায়গায় বিপদ ধরা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে সব কটি প্রতিরক্ষা বা ডিফেন্স পয়েন্টে একযোগে কাজ করে।
এজেন্টিক অটোনমি, যেখানে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের আওতায় এআই নিজেই ব্যবস্থা নেয়।
কম্পাউন্ডিং ইন্টেলিজেন্স, যেখানে নতুন হুমকি থেকে শেখা অভিজ্ঞতা আর তথ্য নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।
সফোসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জো লেভি বলেন, ‘এআই সাইবার হামলার গতি, পরিসর এবং জটিলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর এখন আধুনিক, নিরবচ্ছিন্ন, বুদ্ধিমত্তা ও পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে এমন সুরক্ষা দরকার। সফোস ফিউশন এমন একটি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হিসেবে তৈরি, যেখানে মানুষ এবং এআই একসঙ্গে কাজ করে আরও উন্নত সাইবার নিরাপত্তা দিতে পারে।’
সফোস ফিউশন সাইবার ডিফেন্স সিস্টেমে এন্ডপয়েন্ট প্রটেকশন, এন্ডপয়েন্ট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (ইডিআর), এক্সটেন্ডেড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এক্সডিআর), নেক্সট-জেন এসআইইএম, আইডেনটিটি থ্রেট ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (আইটিডিআর), ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (এমডিআর), নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি, ই–মেইল, ক্লাউড এবং পরামর্শমূলক সেবা একসঙ্গে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া সফোসের নিজস্ব টুলের পাশাপাশি ৫০০টিরও বেশি অন্য কোম্পানির টুল থাকায় অনেক এন্ডপয়েন্ট, ফায়ারওয়াল ও আইডেনটিটি টুলগুলো সফোসের সিস্টেমে একসঙ্গে কাজ করে।