অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনে বিজয়ীরা
অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথনে বিজয়ীরা

বাংলালিংকের অ্যাপলিংক হ্যাকাথনের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

দেশের তরুণ ডেভেলপারদের ক্ষমতায়ন ও অর্থবহ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে উৎসাহিত করতে মুঠোফোন অপারেটর বাংলালিংক আয়োজন করে অ্যাপকোয়েস্ট অ্যাপলিংক হ্যাকাথন–২০২৫। সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে বাংলালিংকের প্রধান কার্যালয় টাইগারস ডেনে এ হ্যাকাথনের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলালিংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এইচসেনিড মোবাইল সলিউশনস লিমিটেডের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০টির বেশি দল অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার মাধ্যমে বাস্তব সমস্যা নিয়ে নানা সমাধান উপস্থাপন করে।

বাস্তবমুখী সমাধান প্রদানে উদ্ভাবনী সক্ষমতার জন্য অ্যাপলিংক হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির ফাতেমা তুজ জোহরা ও হাসিবুর রহমানের দল ‘ব্রাউনি কুকি’। দলের সদস্যরা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ৫০ হাজার টাকা। প্রথম রানার-আপ হয়েছে ‘ডিজিটাল টাইটান্স’ দল। এ দলে আছেন মো. সাদমান। তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছে ‘এসেনশন’ দল। এ দলের সদস্য হলেন আদনান মিয়া। তিনি পেয়েছেন ১০ হাজার টাকা।

অ্যাপলিংকের মাধ্যমে স্থানীয় ডেভেলপারদের দেশজুড়ে লক্ষাধিক গ্রাহকের সঙ্গে যুক্ত করে বাংলালিংক। ডিজিটাল সেবা প্রদানে বাংলালিংকের মার্কেটপ্লেস অ্যাপলিংককে কেন্দ্র করেই এ হ্যাকাথন আয়োজন করা হয়। অ্যাপলিংকের মাধ্যমে ডেভেলপারেরা মুঠোফোনভিত্তিক সেবার মাধ্যমে আয়ের সুযোগ পান; অন্যদিকে, গ্রাহকেরা সহজেই নতুন ও উদ্ভাবনী অ্যাপ্লিকেশন কিনতে পারেন।

তরুণ উদ্ভাবকদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও সম্ভাবনা উন্মোচনে এ হ্যাকাথনের আয়োজন করে বাংলালিংক ও এইচসেনিড মোবাইল সলিউশনস। শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন খাতের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠিত হয় হ্যাকাথনের বিচারক প্যানেল। এ প্যানেলে ছিলেন কর্মঠর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক আসাদ মোহাম্মদ আকবর; বিনিয়োগ ডট আইওর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিওও মুহাম্মদ সাইদুল আলম; এইচসেনিড মোবাইল সলিউশনসের হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কাজী শারেকুজ জামান; বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টর ফয়সাল আহমেদ এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের হেড অব ডিজিটাল রেভিনিউস ফয়েজ আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিরেক্টর ফয়সাল আহমেদ বলেন, দেশের তরুণ ডেভেলপাররা অত্যন্ত মেধাবী ও সম্ভাবনাময়; এ হ্যাকাথনের মাধ্যমে সেটাই আবার প্রকাশ পেয়েছে। দৃষ্টিভঙ্গি, উদ্ভাবনের সক্ষমতা, বাস্তবমুখী ভাবনা ও অর্থবহ ডিজিটাল সমাধানে তাদের উদ্যম সত্যিকার অর্থেই প্রশংসাযোগ্য।

এইচসেনিড মোবাইল সলিউশনসের হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কাজী শারেকুজ জামান বলেন, অ্যাপলিংক স্থানীয় প্রতিভা ও উদ্ভাবনী ভোক্তা সেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে। অ্যাপকোয়েস্ট হ্যাকাথন তরুণ মেধাবীদের সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাদের উদ্ভাবনী সমাধান উপস্থাপনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রেখেছে।