আফগানিস্তানে তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার এক মাস

কাবুল নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর তালেবান যোদ্ধাদের টহল
ছবি: এএফপি

আফগানিস্তানের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের এক মাস পূরণ হয়েছে। গত এক মাসের মধ্যে দেশটিতে ঘটে গেছে বেশ কিছু পরিবর্তন। এর মধ্যে তালেবান সরকার গঠন করেছে। তালেবানের বিরুদ্ধে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ হচ্ছে। তালেবানের আফগানিস্তান দখল নিয়ে পুরো বিশ্বের নজর এখন সেদিকে। গত এক মাসের ঘটনাপ্রবাহ দেখে নেওয়া যাক:

আগস্ট ১৫: তালেবান যোদ্ধারা কাবুলে প্রবেশ করে সহজেই এর নিয়ন্ত্রণ নেয়। তাড়াহুড়ো করে দেশ ছাড়তে বিমানবন্দরে ভিড় করেন বিদেশি ও আফগান নাগরিকেরা।

আগস্ট ১৭: তালেবান প্রথম সংবাদ সম্মেলন করে বিজয় দাবি করে।

রাজধানী কাবুলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ। ১৭ আগস্ট, কাবুল।

আগস্ট ১৮: জালালাবাদে তালেবানবিরোধী বিক্ষোভ হয়। তিনজন নিহত হন।

তালেবানের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও বিরোধীদের পীড়নের খবর সামনে আসে।

আগস্ট ২৩: হাজি মোহাম্মদ ইদ্রিসকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর করা হয়।

আগস্ট ২৪: বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি আফগানিস্তানে খাদ্যসংকটের কথা জানায়।

আগস্ট ২৬: কাবুল বিমানবন্দরের কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৩ মার্কিন সেনাসহ ২০০ জনের বেশি নিহত।

২৯ আগস্ট একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।

আগস্ট ২৭: মার্কিন সামরিক বাহিনী আইএস সদস্যকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায়।

আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন

আগস্ট ৩০: মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আফগানিস্তান থেকে সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়।

সেপ্টেম্বর ৩: তালেবান সদস্যরা পানশির ভ্যালির নিয়ন্ত্রণ দাবি করে।

কাবুল দখলের তিন সপ্তাহের বেশি সময় পর পানশির উপত্যকা পুরোপুরি দখলে নেওয়ার দাবি করল তালেবান

সেপ্টেম্বর ৪: কাবুল বিমানবন্দর স্থানীয় সেবার জন্য আবার চালু হয়।

তালেবানের নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মাদ হাসান আখুন্দ

সেপ্টেম্বর ৭: তালেবান তাদের নতুন সরকার ঘোষণা করে।

সেপ্টেম্বর ৯: তালেবান সরকারের অধীনে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কাবুল ছাড়ে।

সেপ্টেম্বর ১৩: আন্তর্জাতিক দাতারা আফগানিস্তানকে ১১০ কোটি মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়।

কান্দাহারে বিক্ষোভে অংশ নেন নারীরাও।

সেপ্টেম্বর ১৪: কান্দাহারে হাজারো মানুষ তালেবানবিরোধী বিক্ষোভ করেন।