
ভারতের কেন্দ্রীয় ওষুধ মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (সিডিএসসিও) করোনার টিকা আমদানির জন্য নতুন একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। এতে যেকোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি করোনার টিকা আমদানি করতে পারবেন। তবে মানতে হবে কিছু শর্ত।
গতকাল শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বাইরে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন রাজ্যের সরকার আমদানি করা করোনার টিকা ব্যবহার করতে পারবে।
নির্দেশিকায় করোনার টিকা আমদানির ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যদি আমদানি করা টিকা ভারতে অনুমোদন না পেয়ে থাকে, তবে টিকা আমদানিকারক কিংবা অনুমোদিত এজেন্ট সিডিএসসিওর কাছ থেকে অনুমোদন কিংবা লাইসেন্স নিতে পারবে। ইমপোর্ট লাইসেন্স আন্ডার দি ড্রাগস রুলস (১৯৪৫), ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন আন্ডার দি ড্রাগস রুলস (১৯৪৫), নিউ ড্রাগ পারমিশন আন্ডার দি নিউ ড্রাগস অ্যান্ড ক্লিনিকাল ট্রায়ালস রুলসের (২০১৯) আওতায় অনুমোদন কিংবা লাইসেন্স দেবে সিডিএসসিও।
নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, আমদানির অনুমতি পাওয়ার পরে আমদানিকারক কিংবা অনুমোদিত এজেন্ট যেকোনো দেশ থেকে টিকা আমদানি করতে পারবে। আর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ যে কেউ জাতীয় নির্দেশিকা মেনে আমিদানিকারকদের কাছ থেকে ওই টিকা সংগ্রহ করতে পারবে।
আর যদি আমদানি করতে চাওয়া টিকাটি এরই মধ্যে সিডিএসসিওর অনুমোদন কিংবা আমদানির জন্য লাইসেন্স পেয়ে থাকে, তাহলে বেসরকারি খাতসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠান জাতীয় নির্দেশিকা মেনে আমদানিকারকদের কাছ থেকে টিকা সংগ্রহ করার সুযোগ পাবে।
ভারতে এখন করোনার দুটো টিকা ব্যবহার হচ্ছে। এর একটি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকা কোভিশিল্ড। স্থানীয়ভাবে এ টিকা উৎপাদন করছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সেরাম ইনস্টিটিউট। অন্যটি ভারত বায়োটেকের উৎপাদিত করোনার টিকা কোভ্যাক্সিন।
এর বাইরে রাশিয়ার টিকা স্পুতনিক–ভি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতে অনুমোদন পাওয়া একমাত্র বিদেশে উৎপাদিত টিকা এটি। গত ১ মে ভারতের হায়দরাবাদে স্পুতনিক–ভি টিকার প্রথম চালান এসেছে। এ চালানে দেড় লাখ ডোজ টিকা ছিল।