ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) সদর দপ্তরের লোগোর পেছনে একজন নিরাপত্তারক্ষী দাঁড়িয়ে আছেন। বেঙ্গালুরু, ভারত। ১২ জুন ২০১৯
ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) সদর দপ্তরের লোগোর পেছনে একজন নিরাপত্তারক্ষী দাঁড়িয়ে আছেন। বেঙ্গালুরু, ভারত। ১২ জুন ২০১৯

উৎক্ষেপণের পর কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ে ছিটকে পড়ল ভারতের রকেট

উৎক্ষেপণের পরপরই ১৫টি সরঞ্জাম ও একটি কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ে নির্ধারিত পথ থেকে ছিটকে পড়েছে ভারতের রকেট। এ ঘটনাকে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) বহুল ব্যবহৃত উৎক্ষেপণ যানের জন্য নতুন ব্যর্থতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রায় আট মাসের মধ্যে পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেলের (পিএসএলভি) জন্য এটি ছিল দ্বিতীয় বড় হতাশাজনক ঘটনা। আগের প্রায় ৬০টির বেশি অভিযানে ৯০ শতাংশের বেশি সাফল্যের হার থাকলেও, এ ঘটনার ফলে এর নির্ভরযোগ্যতার সুনামে ধাক্কা লাগল।

পিএসএলভি-সি৬২ রকেটটি স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটা দ্বীপের সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়। রকেটটিতে ছিল পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ ইওএস-এন১ এবং ভারত, বিদেশি স্টার্টআপ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর তৈরি আরও ১৫টি বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম।

ইসরোর মিশন কন্ট্রোল জানিয়েছে, উড্ডয়নের বেশির ভাগ সময় রকেটটি স্বাভাবিকভাবেই কাজ করছিল। তবে হঠাৎ অপ্রত্যাশিত বিঘ্ন ঘটে এবং রকেটটি নির্ধারিত পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।

ইসরো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পিএসএলভি–সি৬২ মিশনটি পিএস৩ স্তরের শেষের দিকে একটি অস্বাভাবিকতার সম্মুখীন হয়েছে। বিস্তারিত বিশ্লেষণ শুরু করা হয়েছে। তবে ঠিক কী ভুল হয়েছিল বা রকেটটি শেষ কোথায় পৌঁছেছে, সে ব্যাপারে তারা তারা আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।

পিএসএলভি ভারতীয় মহাকাশ কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে। এটি চন্দ্রযান-১ এবং আদিত্য-এল১ সৌর পর্যবেক্ষণ মিশনের মতো প্রকল্প চালু করেছে। এটি ভারতের এমন প্রচেষ্টাকেও ভিত্তি দিয়েছে, যাতে মহাকাশ–সংক্রান্ত উৎপাদন বেসরকারি খাতেও চালু করা যায়।