এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ
এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ

এয়ার ইন্ডিয়ার মাদক পরীক্ষা দিতে হবে পাইলটদের

ভারতের বেসরকারি উড়োজাহাজ সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসসহ এই উড়োজাহাজ গ্রুপের সব পাইলটের জন্য বাধ্যতামূলক হচ্ছে মাদক পরীক্ষা। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে এয়ার ইন্ডিয়ার এক ই-মেইলে জানানো হয়, ‘বিদ্যমান বিধিমালায় যেসব পদার্থ বা ওষুধ অনুমোদিত নয়’ তা চিহ্নিত করতে এই পরীক্ষা চালানো হবে।

ই-মেইলে আরও বলা হয়, এয়ারলাইনসের গুরুগ্রাম কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের সঙ্গে এসব পরীক্ষা চালানো হবে। আর যেসব ফ্লাইট বর্তমানে মাঝ আকাশে রয়েছে বা যেসব পাইলট দিল্লি-এনসিআরে নেই, তাদের ক্ষেত্রে গন্তব্য শহরের এয়ার ইন্ডিয়া কার্যালয়ে এ মাদক পরীক্ষা হবে।

ই-মেইলে বলা হয়, ‘নিয়ন্ত্রক সংস্থার বাধ্যবাধকতার বাইরে গিয়ে নেওয়া এই উদ্যোগ নিরাপত্তা ও পেশাদারত্বের সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার ব্যাপারে আমাদের দৃঢ় সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ। একই সঙ্গে এই উদ্যোগ যাত্রী, অংশীদার ও সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করবে।’

ই-মেইলটির বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এয়ার ইন্ডিয়ার ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটে মাঝ আকাশে এক মারাত্মক দুর্ঘটনার কয়েক দিন পর সব পাইলটের মাদক পরীক্ষার এই নির্দেশ এল। দুর্ঘটনায় উড়োজাহাজটি মাঝ আকাশে ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এ ঘটনায় অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটির জন্য উড়োজাহাজের তীব্র ঝাঁকুনিকে দায়ী করা হয়েছিল। তবে কয়েকটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান পাইলটের ড্রাগ টেস্টের ফল গাঁজার ক্ষেত্রে পজিটিভ এসেছে।

তবে সূত্রগুলো এ-ও জানিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে এয়ারবাস এ৩২০ উড়োজাহাজটিতে হাইড্রোলিক ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থাজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছিল। বিমান দুর্ঘটনাসংক্রান্ত তদন্ত ব্যুরো পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।