জাতিসংঘের ব্রিফিং

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণভাবে হওয়া উচিত

জাতিসংঘের লোগো
 ছবি: এএফপি

বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের নিজ ভূমিতে প্রত্যাবাসন স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে হওয়া উচিত। সেই সঙ্গে প্রত্যাবর্তন এমন জায়গায় হওয়া উচিত, যেখানে শরণার্থীরা নিরাপদ বোধ করবেন। সোমবার (২৮ আগস্ট) জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এ কথা বলেছেন।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্রিফিংয়ে স্টিফেন ডুজারিককে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে পাইলট প্রকল্প এগিয়ে নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজ ভূমিতে নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে জাতিসংঘ কীভাবে সহায়তা করতে পারে?

জবাবে স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘প্রথম কথা হলো, লাখ লাখ শরণার্থীকে গ্রহণকারী হিসেবে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদারতাকে আমাদের গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে। এই ইস্যুতে ইউএনএইচসিআর (জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশন) নেতৃত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ বিষয়ে আমাদের সুস্পষ্ট নীতি রয়েছে। তা হলো প্রত্যাবর্তন স্বেচ্ছায়, নিরাপদে এবং মর্যাদাপূর্ণভাবে এমন জায়গায় হওয়া উচিত, যেখানে শরণার্থীরা নিরাপদ বোধ করবেন।’

এরপর ওই সাংবাদিক দ্বিতীয় প্রশ্নে বলেন, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে বসবাসরত অনেক শরণার্থী এখন বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছেন। অনেকের উগ্রবাদে জড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি-স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজার প্রয়োজনীয়তাকে সবাই স্বীকার করে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো.....

ওই সাংবাদিককে প্রশ্ন শেষ করার সুযোগ না দিয়েই স্টিফেন ডুজারিক বলেন, ‘কক্সবাজারে এখন আসলে কী হচ্ছে, সেই বিষয়ে আমি ইউএনএইচসিআরকে প্রশ্ন করতে বলব।’