
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় গঠিত নতুন জোটের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক সোমবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তুরস্ক এই বৈঠকের আয়োজন করছে। এতে যোগ দেবে সৌদি আরব ও পাকিস্তান। তুরস্কের কূটনৈতিক সূত্রগুলো রোববার এই তথ্য জানিয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে এই তিন দেশ ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশগুলো যৌথভাবে প্রতিরক্ষা সহায়তা দেবে।
মূলত যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ এবং তেহরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলার পটভূমিতে এই প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হয়েছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলের বৈঠকে তিন দেশের একটি ‘রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কৌশলগত কমিটি’ গঠন করা হবে। এই কমিটিতে থাকবেন তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানেরা।
এই চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্কের সঙ্গে যুক্ত হলো মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব।
সোমবারের বৈঠকে তুরস্কের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধান। পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বৈঠকে যোগ দেবে। অন্যদিকে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী বৈঠকে তাঁদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
আঙ্কারা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার পাশাপাশি এই বৈঠকে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে যৌথ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে।