ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে জ্বলছে গাড়ি। ৮ জানুয়ারি ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের দেওয়া আগুনে জ্বলছে গাড়ি। ৮ জানুয়ারি ২০২৬

৬৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত

ইরান নিয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বসছেন ট্রাম্প

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরান সরকারের দমন–পীড়নের দিকে ইঙ্গিত করে দেশটিতে আবার সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জবাবে ইরান বলেছে, যুদ্ধ না চাইলেও তেহরান পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সংলাপের পথও খোলা রেখেছে তারা।

গতকাল সোমবার ছিল বিক্ষোভের ১৬তম দিন। এদিন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ৬৪৮ বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলছে, সাড়ে ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে ইরান।

অন্যদিকে নিরাপত্তা বাহিনীর ১০৯ সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরান। তবে দেশটি বিক্ষোভকারীদের হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেনি। এরই মধ্যে ইরানের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, বিক্ষোভ ‘পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে’ এসেছে।

এ বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে তেহরানকে একের পর এক হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। সবশেষ গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী উড়োজাহাজ এয়ারফোর্স ওয়ানে ট্রাম্পকে সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করেন—বিক্ষোভকারীদের হত্যার মাধ্যমে তেহরান শেষসীমা অতিক্রম করেছে কি না? জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা অতিক্রম করা শুরু করেছে, দেখে তা–ই মনে হচ্ছে।

বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ইরান সরকারের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্র খুব গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীও এর ওপর নজর রাখছে। আর আমরা কিছু কঠোর পদক্ষেপের বিষয় মাথায় রেখেছি। আমরা এ নিয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাব।’ চলমান সংকট সমাধানে তেহরান আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ইরানের তেহরানে কাহরিজাক ফরেনসিক মেডিক্যাল সেন্টারের বাইরে রাখা হয়েছে বিক্ষোভে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মরদেহ। ১১ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিও থেকে ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে

দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পথ খোলা রাখার কথা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগেরি। গতকাল তিনি বলেন, ইরান সংলাপ চায়। তবে ইরানিরা বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না। আর তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাপের সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না। তবে পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সংলাপের জন্যও তেহরান প্রস্তুত।

এবারের বিক্ষোভকে ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর ইরান সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। এর আগে দেশটি বড় বড় বিক্ষোভ সামাল দিয়েছে। তবে এবার ইরানে চরম অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইসরায়েলের হামলায় তেহরান–সমর্থিত আঞ্চলিক অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী দুর্বল হয়ে পড়েছে। এতে ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব কমেছে।

আজ আলোচনায় বসবেন ট্রাম্প

ইরানের বিরুদ্ধে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়ে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাদের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার আলোচনায় বসার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের একজন কর্মকর্তা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিভিন্ন বিকল্প তৈরি রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রয়েছে সামরিক হামলা, গোপন সাইবার অস্ত্রের ব্যবহার, তেহরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়ানো ও সরকারবিরোধী বিভিন্ন পক্ষকে সহায়তা দেওয়া।

গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের ক্ষতি এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি তেহরান। এমন সুযোগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক পদক্ষেপের পথ বেছে নিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের অনেকে। তবে এতে বিপুল পরিমাণ বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে। কারণ, ইরানের অভিজাত বাহিনী রেভল্যুশনারি গার্ড কোরসহ সামরিক বাহিনীর বেশ কিছু ঘাঁটি খুবই জনবহুল এলাকায় অবস্থিত।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়াটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সঠিক হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দুই বড় দলের কয়েকজন আইনপ্রণেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রিপাবলিকান সিনেটর র‍্যান্ড পল ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার। রোববার ফক্স নিউজকে ওয়ার্নার বলেন, ১৯৫৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইরানের সরকার উৎখাতের ঘটনা এমন সব পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, যা ধীরে ধীরে সত্তরের দশকের শেষের দিকে দেশটিতে ইসলামি বিপ্লবের পথ তৈরি করে দিয়েছিল।

ইরান ঘিরে মার্কিন ঘাঁটি

ইরান যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত—পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচির এমন হুঁশিয়ারির আগে রোববার যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেন ইরানি পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ। ওয়াশিংটনকে ‘ভুল হিসাব’ না করার জন্য সাবধান করে তিনি বলেছিলেন, ‘ইরানে যদি হামলা হয়, তাহলে দখল করা অঞ্চল (ইসরায়েল) এবং মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজগুলো আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।’

‘ইগার লায়ন’ সামরিক মহড়ায় জর্ডান ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা। জর্ডানের জার্কায়, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

ইরান ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি স্থায়ী ঘাঁটি রয়েছে। সেগুলো বাহরাইন, মিসর, ইরাক, জর্ডান, কুয়েত, কাতার সৌদি আরব ও আরব আমিরাতে অবস্থিত। এসব ঘাঁটিতে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। তবে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা হলে তা প্রতিহত করা কঠিন হবে। ইসরায়েলও যে ইরানের সব হামলা ঠেকাতে ব্যর্থ, তা গত বছরের সংঘাতের সময় দেখা গিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের এসব ঘাঁটি বা ইসরায়েলের হামলা চালানোর জন্য ইরানের কাছে মধ্যপাল্লার ও স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ১ হাজার ২৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত এবং স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ৪৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে। নিউইয়র্ক টাইমস–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের সংঘাতের পর ইরানের মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমেছে। তবে যথেষ্ট স্বল্পপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। সেগুলো দিয়ে কুয়েত, কাতার, ইরাক, ওমান ও আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটিতে সহজেই হামলা চালাতে পারবে তেহরান।

‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে’

গতকাল বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আলাপের পর রাতে সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার সঙ্গে কথা বলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি। তিনি বলেন, বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগে ও পরে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের যোগাযোগ হয়েছে তাঁর। এখনো যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। দুজনের মধ্যে বৈঠকের বিষয়ে আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রস্তাব রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনায় বসতে তেহরানের প্রস্তুতির কথাও জানান আরাগচি। তবে এমন আলোচনার জন্য কোনো হুমকি দেওয়া যাবে না বা নির্দেশনা মানতে বাধ্য করা যাবে বলে উল্লেখ করেন তিনি। আরাগচি বলেন, ‘আপাতত আমরা মনে করি না যে ওয়াশিংটন ন্যায্য আলোচনার জন্য প্রস্তুত। যখন তারা প্রস্তুত হবে, তখন আমরাও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করব।’

আল–জাজিরার সঙ্গে আলাপচারিতায় গত বছর ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় মার্কিন হামলার প্রসঙ্গ টানেন আরাগচি। তিনি বলেন, আগেও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এবারও তারা এমন পদক্ষেপ নিতে চাইলে তেহরান প্রস্তুত। গতবারের চেয়ে এবার ইরানের সামরিক প্রস্তুতি অনেক বেশি। আশা করা হচ্ছে, বুদ্ধি খাটিয়ে সঠিক পথটিই বেছে নেবে ওয়াশিংটন।

ইরানের তেহরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় সংঘর্ষে নিহত নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও বেসামরিক ব্যক্তিদের কফিন ঘিরে শোকার্ত স্বজনদের আহাজারি। ১১ জানুয়ারি ছড়িয়ে পড়া ভিডিও থেকে ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছে

‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’

ইরানে বিক্ষোভ ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও বিক্ষোভের মাত্রা কমে যাওয়ার খবর প্রচার করা হচ্ছে। ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, আগের তুলনায় রোববার রাতে বিক্ষোভ কিছুটা কম ছিল। সরকার ইন্টারনেট বন্ধ করার ফলে এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি

ইরানে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয় গত বৃহস্পতিবার রাতে। এরপর চার দিন ধরে দেশটির ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট সংযোগ পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট নেটব্লকস। স্টারলিংকের মাধ্যমে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সরবরাহেও বাধা দিচ্ছে ইরান সরকার। তবে শিগগিরই ইরানের ইন্টারনেট সংযোগ চালু করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি।

এদিকে গতকাল ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে সরকারপন্থী সমাবেশ হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। তাদের খবর বলা হয়েছে, কেরমান, জাহেদান ও বিরজান্দ শহরে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সমাবেশ করা হয়। এ ছাড়া বিক্ষোভের সময় নিহত সাধারণ মানুষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের জানাজায় অংশ নিতে ইরানের শাহরুদ শহরে মানুষের বড় জমায়েত হয়।

সরকারের পক্ষে হাজার হাজার মানুষের সমাবেশ হয়েছে রাজধানী তেহরানেও। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, এ বিক্ষোভে যোগ দেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সমাবেশ থেকে ইরানের অর্থনৈতিক সংকট সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি। পেজেশকিয়ান বলেন, বিক্ষোভকারীদের কথা শোনার জন্য প্রস্তুত সরকার। ‘দাঙ্গাবাজ’ ও ‘সন্ত্রাসী বিভিন্ন পক্ষকে’ রুখে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। এ সময় ‘যুক্তরাষ্ট্রের মৃত্যু হোক’, ‘ইসরায়েলের মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেন উপস্থিত মানুষ।

পক্ষে-বিপক্ষে সমর্থন

চলমান বিক্ষোভের মধ্যে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট রবার্তা মেতসোলা লেখেন, বিক্ষোভে তেহরানের দমন–পীড়নের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে পার্লামেন্ট চত্বরে ইরানের সব কূটনীতিক ও প্রতিনিধিকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। বিক্ষোভকারীদের হত্যার নিন্দা জানিয়েছে কানাডার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও।

বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন–পীড়ন বন্ধ করতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব ও জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস।

তেহরানকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর এবং অপ্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ না করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। অপর দিকে ইরানের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, তাঁরা কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপের সব সময় বিরোধিতা করে আসছেন।