রিয়াদে অবস্থিত কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ এলাকা থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ওপরে উঠছে। সৌদি আরব, ১৯ সেপ্টেম্বর
রিয়াদে অবস্থিত কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ এলাকা থেকে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী ওপরে উঠছে। সৌদি আরব, ১৯ সেপ্টেম্বর

রিয়াদে সব স্কুল বন্ধ, ই–মেইলে বার্তা পেলেন অভিভাবকেরা

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আজ রোববার স্কুল থেকে অভিভাবকদের কাছে একটি ই–মেইল পাঠানো হয়েছে। ওই ই–মেইলে বলা হয়েছে, শেষ মুহূর্তে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক সপ্তাহের জন্য স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে, তবে অনলাইনে শিক্ষাদান কার্যক্রম চলবে।

বার্তা সংস্থা এএফপি এ রকম দুটি ই–মেইল দেখেছে।

ওই ই–মেইলগুলোয় লেখা আছে, ‘সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমরা এইমাত্র জানতে পেরেছি যে সপ্তাহজুড়েই স্কুলগুলো বন্ধ রাখতে হবে।’

স্কুল বন্ধ রাখার কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার মধ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো।

‘যখন কোনো সিদ্ধান্ত পুরো এক সপ্তাহের জন্য সব স্কুলকে প্রভাবিত করে, তখন পরিবারগুলোর সঙ্গে স্বচ্ছ যোগাযোগ এবং এর পেছনের কারণ সম্পর্কে স্পষ্টভাবে সবকিছু জানার অধিকার তাদের রয়েছে।’

সম্প্রতি ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুতি যোদ্ধারা প্রায় প্রতিদিনই সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রিয়াদে বসবাসকারী এক অভিভাবক এএফপিকে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত পুরো এক সপ্তাহের জন্য সব স্কুলকে প্রভাবিত করবে। তাহলে সেই সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে অভিভাবকদের স্পষ্টভাবে জানানো এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা উচিত।’

রিয়াদে বসবাসকারী লেবাননের এক প্রবাসীও বলেন, ‘এটা শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত। কী ঘটছে, সে সম্পর্কে আমাদের কোনো ধারণাই নেই।’

গত জুলাই থেকে হুতিদের হামলা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ এসব হামলা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। কয়েক বছর আগে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙে জুলাই থেকে হুতিরা নতুন করে আক্রমণ শুরু করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।

স্কুল বন্ধের এই ঘোষণা আসার মাত্র এক দিন আগে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, দেশটি লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ছোড়া ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তারা ভূপাতিত করেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

অনলাইনে ক্লাস চলছে। প্রতীকী ছবি

গত জুলাই থেকে হুতিদের হামলা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সর্বশেষ এসব হামলা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। কয়েক বছর আগে হওয়া যুদ্ধবিরতি ভেঙে জুলাই থেকে হুতিরা নতুন করে আক্রমণ শুরু করে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এর আগে সৌদি আরবে হুতি যোদ্ধাদের ক্রমবর্ধমান হামলার নিন্দা জানিয়েছিল। বলেছিল, এসব হামলায় নারী, শিশুসহ বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন।