মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান যুদ্ধ ট্রাম্পের নিজের ঘরেই যেভাবে ভাঙন ধরিয়েছে

‘এটা ইসরায়েলের যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ নয়।’

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার দুই দিনের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবে প্রকাশিত এক ভিডিওতে এমনটা বলা হয়। এটি ২০ লাখের বেশিবার দেখা হয়েছে। ট্রাম্পবিরোধী কোনো কর্মী বা প্রেসিডেন্টের কোনো সমালোচক ভিডিওটি তৈরি করেননি।

ভিডিওটি তৈরি করেন ফক্স নিউজের সাবেক উপস্থাপক টকার কার্লসন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থক হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত তিনি। সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত রাখার চেষ্টায় তিনি গত মাসে কয়েকবার ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন।

ভিডিওতে কার্লসন বলেন, যুদ্ধের সময় দেশগুলোর স্বাধীনতা কমে যায়, সহিংস মনোভাব ছড়ায়, মানুষ দ্রুত বদলে যায়।

মানুষের মধ্যে ক্রোধ এবং ঘৃণা স্পষ্টভাবে অনুভব করা যাচ্ছে এবং তা দ্রুত বাড়ছে, এমনটাও বলেন কার্লসন।

ট্রাম্পের প্রতি কার্লসনের পরামর্শ ছিল পরিষ্কার। তিনি বলেন, ‘এখনই (সামরিক পদক্ষেপ থেকে) বেরিয়ে আসুন। এটা সহজ। অবশ্য, এটি একদিকে যেমন সহজ, অন্যদিকে অত্যন্ত জটিলও। কিন্তু প্রথম ধাপ হলো সিদ্ধান্তটি নেওয়া যে আমরা এর থেকে বের হয়ে যাচ্ছি।’

ট্রাম্পের কট্টর সমর্থকদের অনেকে বর্তমান সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও জনমত জরিপে দেখা গেছে, প্রতি চারজন রিপাবলিকান সদস্যের মধ্যে একজন বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছেন।

রিপাবলিকানদের মধ্যে কারা মার্কিন প্রেসিডেন্টের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ কর্মসূচিকে সবচেয়ে বেশি সমর্থন করেন—তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে অভ্যন্তরীণভাবে বিতর্ক চলছিল। তবে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ সেই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

রিপাবলিকান শিবিরের আশঙ্কা, এই যুদ্ধের কারণে দেশের ভেতরে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন সংকট দেখা দিতে পারে। তাতে বাড়তে পারে ভোটারদের উদ্বেগ। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনে।

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা সামরিক অভিযান চালালে শুরুর দিকে তাঁদের জনপ্রিয়তা বেড়ে যেতে দেখা যায়। কারণ, ওই সময় জনগণ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থাকেন এবং তাঁরা রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে প্রেসিডেন্টকে সমর্থন দেন, কিন্তু এবার তা ঘটেনি।

জরিপ কী বলছে

সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা সামরিক অভিযান চালালে শুরুর দিকে তাঁদের জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। কারণ, ওই সময় জনগণ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থাকেন এবং তাঁরা রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে প্রেসিডেন্টকে সমর্থন দেন।

কিন্তু এবার তা ঘটেনি। রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকস বিভিন্ন জনমত জরিপের গড় নিয়ে একটি সংকলন করেছে। এতে দেখা গেছে, ট্রাম্পের প্রতি জনসমর্থনে হেরফের হয়নি। এক বছর ধরেই তা কম ছিল। যুদ্ধ শুরুর পরও প্রায় একই আছে।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা হওয়ার পর করা কয়েকটি জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ নাগরিক এই সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করেন না। যেমন এনবিসি নিউজের এক জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প যে কৌশলে ইরানকে মোকাবিলা করছেন, তার সঙ্গে ৫৪ শতাংশ মানুষ একমত নন।

এ বিভাজন অবশ্য দলভিত্তিক। ৮৯ শতাংশ ডেমোক্রেটিক সমর্থক ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করছেন না। আর ট্রাম্পের কৌশলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৭৭ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থক।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে জড়ো হওয়া সমর্থকদের একটি অংশ

ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যাবে, ডানপন্থী অংশে ভাঙন স্পষ্ট।

এনবিসির এক জরিপে দেখা গেছে, নিজেদের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ কর্মসূচির সমর্থক বলে পরিচয় দেওয়া রিপাবলিকানদের প্রতি ১০ জনে ৯ জন যুদ্ধকে সমর্থন দিয়েছেন। তাঁরা ট্রাম্পের পাঁড় সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তাঁরা তাঁর সমাবেশে লাল টুপি পরে আসেন এবং সাধারণত তাঁর নীতিতে সব সময় সমর্থন দিয়ে যান।

তবে একই জরিপে দেখা গেছে, যাঁরা নিজেদের মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইনের সমর্থক বলে মনে করেন না, এমন মানুষেরা যুদ্ধের বিষয়ে অনেক বেশি সন্দিহান। তাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশের কিছু বেশি সংখ্যক মানুষ বলেছেন, তাঁরা যুদ্ধকে সমর্থন করেন। আর এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ এই যুদ্ধের বিপক্ষে।

নিউইয়র্ক সিটির রিপাবলিকান অ্যাকটিভিস্ট ভিশ বুরা বলেন, তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে এমন এক প্রজন্মের মানুষ আছেন, যাঁদের অনেকেই ইরাক ও আফগানিস্তানে গিয়েছিলেন। লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ এসব যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে তাঁরা দেখেন, তাদের শহর ফাঁকা, কারখানা বন্ধ এবং ওষুধের সমস্যা বেড়ে গেছে।

এনবিসির এক জরিপে দেখা গেছে, নিজেদের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ কর্মসূচির সমর্থক বলে পরিচয় দেওয়া রিপাবলিকানদের প্রতি ১০ জনে ৯ জন যুদ্ধকে সমর্থন দিয়েছেন। তাঁরা ট্রাম্পের ঘোর সমর্থক হিসেবে পরিচিত। তাঁরা তাঁর সমাবেশে লাল টুপি পরে আসেন এবং সাধারণত তাঁর নীতিমালাকে সব সময় সমর্থন দেন।

বুরা দাগি কংগ্রেস সদস্য জর্জ সান্তোস এবং মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন–সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কাজ করেছেন।

আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্প যদি স্থল সেনা মোতায়েন করেন, তাহলে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব আরও বাড়বে।

গত সপ্তাহে কুইনিপিয়াকের করা জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ রিপাবলিকান ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে সমর্থন করেন। তবে দলের ৫২ শতাংশ সমর্থক ইরানে স্থলসেনা পাঠানোর বিরোধী।

রিপাবলিকানদের কোনো কোনো ব্যক্তি মনে করেন, ট্রাম্প রাজনৈতিক ঝুঁকি সামলাতে সক্ষম হতে পারেন। সাউথ ক্যারোলাইনাভিত্তিক রিপাবলিকান পরামর্শক ম্যাট উইলি বলেন, দলের ভেতরে ভাঙনের পরও সামরিক পদক্ষেপের কারণে তথাকথিত রিপাবলিকানদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন বাড়তে পারে। রিপাবলিকান এ অংশটির মধ্যে মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন কর্মসূচির সমর্থকেরা যেমন আছেন, তেমনি একে সমর্থন না করা মানুষেরাও আছেন।

মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন লেখা ক্যাপ পরে আছেন ট্রাম্প

ম্যাট উইলি বলেন, ‘তাঁরা এখনো যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বজুড়ে স্বাধীনতার সন্ধানে থাকা মানুষদের জন্য আশার আলো হিসেবে বিবেচনা করেন। এ অবস্থান নিতে গেলে দায়িত্বও চলে আসে। সেটা হলো, আমাদের মিত্রদের রক্ষা করা, স্বাধীন দেশগুলোর সুরক্ষা দেওয়া এবং যেকোনো অযাচিত শাসনের বিরুদ্ধে দৃঢ় থাকা।’

প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিমত পোষণকারীদের মধ্যে কার্লসন, পডকাস্টার জো রোগান এবং জর্জিয়ার সাবেক কংগ্রেস সদস্য মারজরি টেইলর গ্রিনের মতো অনেক সরব মানুষ আছেন।

ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যাপক দ্বন্দ্বের পর গত বছর পদত্যাগ করেন গ্রিন।

গত সপ্তাহান্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে গ্রিন লিখেছিলেন, ‘আমরা বিদেশে আর কোনো যুদ্ধ চাই না, আর কোনো সরকার পরিবর্তনও চাই না।’ যুদ্ধের বিরোধিতা করে তিনি যেসব পোস্ট দিয়েছেন, তার একটি এটি। পোস্টে গ্রিন আরও লিখেছেন, ‘ট্রাম্প বিদেশে আর কোনো যুদ্ধ হবে না বলে যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা ভঙ্গ করেছেন।’

গ্রিন ও কার্লসনের কিছু সমর্থক সরকারে আছেন। যেমন কেন্টাকির রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য টমাস ম্যাসি। তিনি যুদ্ধের বিরোধিতা করে কংগ্রেসে উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছিলেন। তবে প্রস্তাবটি পাস হয়নি।

প্রচারণায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি

এক্স–সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প এবং তাঁর পরামর্শকদের অতীতে দেওয়া যুদ্ধবিরোধী বক্তব্যগুলো ভেসে বেড়াচ্ছে।

২০২৪ সালের নির্বাচনের কয়েক দিন আগে ট্রাম্প নিউইয়র্ক সিটিতে এক সমাবেশে বলেছিলেন, ‘আমি দায়িত্ব পালনকালে আপনারা আমাকে যুদ্ধ চালাতে দেখবেন না। আমার কারণে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ দেখতে হবে না।’

গত অক্টোবরে ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স প্রয়াত রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্কের সঙ্গে আলোচনার কথা স্মরণ করেন।

ভ্যান্স তখন বলেছিলেন, কার্ক এমন এক ব্যক্তি ছিলেন, যাঁর কারণে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘর্ষে জড়াতে পারেননি এবং মধ্যপ্রাচ্যের কোনো সংঘর্ষে কোনো মার্কিন নাগরিক নিহত হননি।

তবে কথাটি এখন আর সত্য নয়।

ইরানে চলমান সংঘাত ‘দীর্ঘমেয়াদি’ হবে কি না, তা এখন দেখা বাকি। তবে এটি ট্রাম্পের শাসনাধীনে এখন পর্যন্ত হওয়া সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান। এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১৩ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার ইরাকে ছয়জন নিহত হন। ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতেও হতাহতের ঘটনা ঘটছে। লেবাননে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের গোলা হামলায় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। ইরান জানিয়েছে, হামলায় ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন সে দেশে।

রিপাবলিকান অ্যাকটিভিস্ট ভিশ বুরা তাঁর বক্তব্যে মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইনের তৃণমূল সমর্থকদের উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, রিপাবলিকানের এ অংশ হস্তক্ষেপবিরোধী। তিনি রিপাবলিকান দাতা গোষ্ঠীকে যুদ্ধপন্থী ও ইসরায়েলপন্থী বলেও আখ্যায়িত করেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও অনলাইনে প্রকাশ করায় বুরাকে ডানপন্থী ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্ক থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ওই ভিডিওতে একটি কক্ষ দেখানো হয়, যেখানে ছিল তেলাপোকা এবং দরজায় স্টার অব ডেভিড (ইহুদি প্রতীক)। তবে বুরা দাবি করেছেন, এর সঙ্গে ইহুদিবিদ্বেষের কোনো বিষয় ছিল না।

বুরার মতো ইরান সম্পর্কে একই মত পোষণকারীদের কেউ কেউ আবার বর্ণবাদী বা ইহুদিবিদ্বেষী হিসেবে বিবেচনা করাকে তেমন একটা পরোয়া করেন না। এর মধ্যে আছেন ২৭ বছর বয়সী ডানপন্থী লাইভস্ট্রিমার নিক ফুয়েন্টেস। অনলাইনে তিনি প্রায়ই বিদ্রূপের ভঙ্গিতে সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর এমন একটি বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য হলো, ‘ইহুদিরা সমাজ চালাচ্ছে, নারীদের চুপ থাকা উচিত, কৃষ্ণাঙ্গদের বেশির ভাগকে কারাগারে রাখা উচিত, তাহলে আমরা স্বর্গের মতো জীবন পেতাম।’

বছরের পর বছর ধরে ফুয়েন্টেস রিপাবলিকান ক্ষমতাশালীদের সমালোচনা করে আসছেন। ফুয়েন্টেসের সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য বিবিসির পক্ষ থেকে অনুরোধে জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সবকিছু নির্ভর করছে যুদ্ধ কত দিন চলবে, তার ওপর

ট্রাম্প এখনো রিপাবলিকান পার্টির সবচেয়ে শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। তাঁর সমর্থন পাওয়াটা কংগ্রেসে মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাইমারিতে জিততে চাওয়া কিছু মানুষের জন্য এখনো গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলার ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অনলাইনে ডানপন্থীদের যুদ্ধবিরোধী মতামত থেমে গিয়েছিল।

কনজারভেটিভ হিলসডেল কলেজের রাজনৈতিক বিজ্ঞান অধ্যাপক ডেভিড আজেরাড মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো এই বিরোধিতাকে উপেক্ষা করতে পারেন।

তবে ট্রাম্প এখন একটি জটিল এবং সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক সংঘাতের মধ্যে আছেন। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে একমত যে যুদ্ধ কত দিন চলবে এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে, বিশেষ করে তেলের দামে কেমন প্রভাব ফেলবে, তার ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।

রাজনৈতিক কৌশলবিদ ম্যাট উইলি বলেন, ‘বিশেষ করে যুদ্ধ যদি কয়েক মাস ধরে চলে, ট্রাম্প তখন স্থল সেনা মোতায়েন করতে পারেন। এতে আরও বেশি করে মার্কিন নাগরিকদের প্রাণহানি হতে পারে।’