তেহরানের আলাভি স্কুলের ব্যালকনি থেকে হাত নাড়াচ্ছেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি
তেহরানের আলাভি স্কুলের ব্যালকনি থেকে হাত নাড়াচ্ছেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি

ফিরে দেখা

ইরানে বিপ্লবে পালিয়েছিলেন ‘শাহেনশাহ’, আবির্ভূত হয়েছিলেন ‘সর্বোচ্চ’ নেতা

১৯৭৯ সালে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে শাহদের শাসনের অবসান ঘটে। ওই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ইরানকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয়। ইরানে ক্ষমতার মসনদে বসেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি। তিনি হয়ে ওঠেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। আজ ১১ ফেব্রুয়ারি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ঘোষণার ৪৭ বছর পূর্ণ হলো। ইরানে ইসলামি বিপ্লবের দিনগুলো নিয়ে আজকের এ ফিরে দেখা।

১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানের রাস্তায় জড়ো হয়েছিলেন কয়েক লাখ মানুষ। ১৫ বছর নির্বাসনে কাটানোর পর দেশে ফিরে আসা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনিকে স্বাগত জানাতে এমন জমায়েত হয়েছিল সেদিন। এর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে ইরানে তৎকালীন পশ্চিমা সমর্থিত শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এর মধ্য দিয়ে ইরানে শাহদের দীর্ঘদিনের শাসনের অবসান ঘটে। মোহাম্মদ রেজা পাহলভি চলে যান নির্বাসনে। আর নির্বাসিত নেতা খোমেনি ফিরে আসেন দেশে।

খোমেনির ফিরে আসার ১০ দিনের মাথায় তাঁর বিপ্লবী মিত্ররা ক্ষমতা গ্রহণ করেন। ঘোষণা দেন, ইরানকে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে রূপান্তর করা হবে এবং এর নিয়ন্ত্রণে থাকবেন খোমেনি। ১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব দেশটিতে বড় ধরনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

বিপ্লবের সূচনা যে কারণে

ইরানে শাহ বংশের সর্বশেষ শাসক ছিলেন মোহাম্মদ রেজা পাহলভি। শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিভিন্ন নীতি ও দমনমূলক শাসনের বিরুদ্ধে জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। মূলত এ অসন্তোষকে কেন্দ্র করে ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের সূচনা হলেও এটাই একমাত্র কারণ নয়। এর শিকড়টা আসলে আরও গভীরে গাঁথা। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে যুক্তরাজ্য, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে, যা দীর্ঘদিনের অসন্তোষের কারণ হয়ে উঠেছিল।

১৯২১ সালে ইরানের শাসনক্ষমতায় ছিলেন মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বাবা রেজা শাহ। ব্রিটিশরা তাঁকে ক্ষমতায় বসতে সহযোগিতা করেছিল। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ১৯৪১ সালের আগস্ট মাসে ব্রিটিশ ও সোভিয়েত সেনারা ইরানে আক্রমণ করেন এবং দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেন। তাঁদের অভিযোগ ছিল, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু থেকে ইরানের ওপর জার্মানি প্রভাব বিস্তার করে রেখেছিল।

রেজা শাহ পাহলভি তাঁর বড় বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জার্মান প্রযুক্তির ওপর অনেকটাই নির্ভর করতেন। এতে মিত্রশক্তি (যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়নসহ) উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। তারা আশঙ্কা করেছিল, জার্মানরা হয়তো ইরানকে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

ইরান দখলের পর যুক্তরাজ্য ও সোভিয়েত ইউনিয়ন রেজা শাহকে সিংহাসন ছাড়তে বাধ্য করে। ১৯৪১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রেজা শাহ সিংহাসন ছাড়েন। তবে কার্যকর বিকল্প না থাকায় মিত্রবাহিনী তাঁর ছেলে মোহাম্মদ রেজা পাহলভিকে শাসনক্ষমতায় বসায়। তখন তাঁর বয়স ছিল ২২ বছর। তিন বছর পর নির্বাসিত অবস্থায় দক্ষিণ আফ্রিকায় রেজা শাহের মৃত্যু হয়।

শাহ থেকে শাহেনশাহ

ইরানের নতুন শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি মিত্রশক্তিকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি শুধু সাংবিধানিক রাজা হিসেবে কাজ করবেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। তিনি প্রায়ই নির্বাচিত সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করতেন। ১৯৪৯ সালে তাঁর বিরুদ্ধে একটি কমিউনিস্ট ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হলে তিনি আরও বেশি করে ক্ষমতা নিজের হাতে নেন।

১৯৫০-এর দশকের শুরুতে মোহাম্মদ মোসাদ্দেক নামের এক দৃঢ় জাতীয়তাবাদী নেতা রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। তিনি ইরানে যুক্তরাজ্যের বিশাল তেল ব্যবসাকে জাতীয়করণ করতে পার্লামেন্টকে রাজি করিয়ে ফেলেন।

মোহাম্মদ রেজা পাহলভি যেহেতু যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতেন, সে ক্ষেত্রে তিনি এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। তবুও তাঁকে ১৯৫১ সালে মোসাদ্দেককে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিতে হয়। এরপর টানা দুই বছর উত্তেজনা চলতে থাকে।

১৯৫৩ সালের আগস্টে শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি প্রধানমন্ত্রী মোসাদ্দেককে বরখাস্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু মোসাদ্দেকের জনপ্রিয়তা এতটাই বেশি ছিল যে উল্টো শাহকেই দেশ ছেড়ে পালাতে হয়। কয়েক দিন পর ব্রিটিশ ও মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে নাটকীয় এক অভ্যুত্থান ঘটে। শাহ আবার দেশে ফিরে এসে ইরানের শাসক হন। তিনি স্নায়ুযুদ্ধের সময় মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়ে ওঠেন।

আঞ্চলিক অস্থিরতা আর স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শাহ নিজেকে পশ্চিমাদের অপরিহার্য মিত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝান, ইরানে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় তাঁর কোনো বিকল্প নেই। তিনি তাঁর ক্ষমতাকে ক্রমাগত শক্তপোক্ত করতে থাকেন। তিনি শাহেনশাহ (রাজাদের রাজা) খেতাব গ্রহণ করেন এবং প্রাচীন পারস্য সাম্রাজ্যের ২ হাজার ৫০০তম বার্ষিকীর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্‌যাপন আয়োজন করেন।

শাহের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যাঁরা কথা বলতেন, তাঁদের কুখ্যাত সাভাক বাহিনীর কাছে হয়রানির শিকার হতে হতো। এটি ছিল শাহের গোয়েন্দা পুলিশ বাহিনী। এর মধ্যেও নানা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় শাহকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে।

১৯৬৩ সালে শাহ ‘হোয়াইট রেভোল্যুশন’ নামে একটি বড় সরকারি কর্মসূচি শুরু করেন। এতে ভূমি সংস্কার, অবকাঠামো উন্নয়ন, নারীদের ভোটাধিকার এবং নিরক্ষরতা কমানোর উদ্যোগ ছিল। অনেকেই এই কর্মসূচিকে স্বাগত জানালেও কিছু ইসলামি নেতা মনে করতেন, এটি ইরানকে অতিরিক্তভাবে পশ্চিমা সংস্কৃতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

বিশেষ করে শিয়া ধর্মীয় নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি ছিলেন কঠোর সমালোচক। তিনি শাহের পতন ও একটি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। ১৯৬৪ সালে খোমেনিকে দেশ থেকে নির্বাসিত করা হয়। তিনি ইরান সীমান্তের ওপারে ইরাকে বসবাস শুরু করেন এবং সেখান থেকে রেডিও বার্তার মাধ্যমে তাঁর সমর্থকদের আন্দোলনে উসকে দিতে থাকেন।

বিশ্লেষকদের মতে, মোহাম্মদ রেজা পাহলভির শাসনামলে ইরানে নারীদের অর্জন ছিল উল্লেখযোগ্য। সে সময় তাঁদের উচ্চশিক্ষা, পেশাগত উৎকর্ষ, ভোটাধিকার, সরকারি দপ্তরের দায়িত্ব, পুরুষের সমান বেতনের আইন, স্বাস্থ্যসেবা ও সন্তান নেওয়া বা না নেওয়ার অধিকার ছিল। তবে এত সব সংস্কারকাজের মধ্যেও বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে ধীরে ধীরে জনসমর্থন হারান রেজা পাহলভি।

রাজনৈতিক নানা প্রেক্ষাপটে মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধে আন্দোলন চলতে থাকে। ১৯৭৮ সালের পুরো সময়জুড়ে একের পর এক বিক্ষোভ, সহিংস দমন-পীড়ন এবং আবার নতুন বিক্ষোভ চলতে থাকে। এমন পরিস্থিতি শাহের ক্ষমতার ভিত নড়িয়ে দেয়। জানুয়ারিতে কোম শহরে, ফেব্রুয়ারিতে তাবরিজে, মার্চ ও মে মাসে তেহরানসহ বহু শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

বামপন্থী, মধ্যপন্থী ও ইসলামপন্থী গোষ্ঠী—সবাই আন্দোলনে যুক্ত ছিল। ১৯ আগস্ট আবাদানের একটি সিনেমা হলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এতে ৪০০ জনের বেশি মানুষ মারা যান। ওই আগুনের জন্য দায়ী কারা—তা নিয়ে বিতর্ক আজও আছে। তবে খোমেনি এর জন্য শাহ ও তাঁর গোয়েন্দা সংস্থা সাভাককে দায়ী করেন। অনেক ইরানি তাতে একমত হন।

১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে তেহরানে এক বিশাল সমাবেশে সেনারা গুলি চালান। এতে আরও বহু মানুষ নিহত হন। এরপর শ্রমিকেরা, বিশেষ করে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেলশিল্পের কর্মীরা ধর্মঘট শুরু করেন। অক্টোবরে সারা দেশে সাধারণ ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়।

সংকট সামাল দিতে শাহ একটি সামরিক সরকার গঠন করেন এবং সরাসরি ইরানিদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। তিনি তাঁর শাসনের কিছু ভুল স্বীকার করেন এবং বিরোধীদের সঙ্গে কাজ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আশ্বাস দেন।

ওই সময় ফ্রান্সে নির্বাসনে ছিলেন খোমেনি। তিনি ইতিমধ্যেই দেশে–বিদেশে বিপ্লবী আন্দোলনের আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন। শাহের পক্ষ থেকে সমঝোতার জন্য বিরোধীদের যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, তা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বরং শাহকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান খোমেনি। কয়েক সপ্তাহ পর শাহ চিকিৎসার জন্য ইরান ছাড়েন। পরে তিনি আর কখনো দেশে ফেরেননি।

ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

শাহের শাসন শেষ, সর্বোচ্চ নেতার শাসন শুরু

আয়াতুল্লাহ খোমেনি দেশে ফেরার পরও বিরোধী শিবিরের অনেকে ভেবেছিলেন, শাহ-পরবর্তী ইরানে তাঁর নেতৃত্ব মূলত আধ্যাত্মিক ও প্রতীকী হবে। তাঁদের ধারণা ছিল, প্রতিরোধ আন্দোলনে যেসব দল যুক্ত ছিল, তাদেরই একটি জোট হয়তো শাসনকার্য চালাবে। তবে বাস্তবে তা হয়নি।

খোমেনি ও তাঁর মিত্ররা সম্পূর্ণ ইসলামি শিক্ষার নির্দেশনায় পরিচালিত একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথে দ্রুত এগিয়ে যেতে থাকেন। ধর্ম সম্পর্কে ভালো বোঝাপড়া থাকা ব্যক্তির হাতে প্রজাতন্ত্রের শাসনভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। আর সে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী খোমেনির হাতে শাসনভার দেওয়া হয়। তিনি হয়ে ওঠেন ইরানের ‘সর্বোচ্চ নেতা’।

১৯৭৯ সালের পুরোটা সময় খোমেনি ও তাঁর সহযোগীরা প্রতিরোধ আন্দোলনের বিভিন্ন অংশকে দূরে ঠেলে দেন। এর মধ্যে কেউ কেউ নির্বাসনে যেতে বাধ্য হন। কেউ কেউ সাময়িকভাবে শাসকদের সঙ্গে জোট করলেও পরে ইরানের রাজনীতি থেকে একে একে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তবু নাগরিক সমাজের কিছু অংশকে সময়ে সময়ে সরকার ও ধর্মীয় নেতৃত্বের নিয়ন্ত্রণ ও দমননীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেখা যায়।

ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর দেশটি এ পর্যন্ত দুজন সুপ্রিম লিডার বা সর্বোচ্চ নেতা পেয়েছে। তাঁদের পদবি হিসেবে আয়াতুল্লাহ ব্যবহার করা হয়। ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলি খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। তখন থেকে তিনিই এ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন তিনি। ইসলামি বিপ্লবের পর পশ্চিমা দেশগুলো দেশটির ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিতে থাকে।

ইসলামি বিপ্লবের পরও বিভিন্ন সময়ে ইরানের রাজপথে বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষোভগুলো শক্ত হাতে দমন করেছে ইরানের সরকার। ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ঘিরে দেশটিতে বড় ধরনের বিক্ষোভ হয়েছিল। ২০২২ সালে পুলিশি হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাসা আমিনি নিহত হওয়ার পর আবারও বিক্ষোভে উত্তাল হয়েছিল দেশটি। তখন সাড়ে ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন। গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ২০ হাজার জনের বেশি ইরানিকে।

ইরানে গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি আর মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে আবারও বিক্ষোভ শুরু হয়। চলমান বিক্ষোভ আরও জোরদার করার ডাক দিয়েছেন ১৯৭৯ সালের বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভির ছেলে রেজা পাহলভি। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসনে রয়েছেন। বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। তিনি ইরানে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছেন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি, হিস্ট্রি ডটকম, দ্য কনভারসেশন, রেডিও ফ্রি ইউরোপ