
সৌদি আরবের সঙ্গে গত বছর প্রতিরক্ষা চুক্তি সইয়ের পর এবার কুয়েতের সঙ্গে একটি সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে পাকিস্তান। এ আলোচনা সম্পর্কে অবগত পাঁচটি সূত্র জানিয়েছে, জ্বালানি সহায়তা ও বিনিয়োগের বিনিময়ে চুক্তিটি হতে পারে।
এ ছাড়া উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
লন্ডনভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (আইআইএসএস) তথ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ পাকিস্তানের সামরিক শক্তির সংক্ষিপ্ত চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—
সামরিক জনবল
সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যার দিক থেকে এশিয়ায় পাকিস্তানের অবস্থান চতুর্থ। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্য প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার। এর মধ্যে সেনাবাহিনীতে ৫ লাখ ৬০ হাজার, বিমানবাহিনীতে ৭০ হাজার ও নৌবাহিনীতে ৩০ হাজার সদস্য রয়েছেন। নৌবাহিনীর সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ২০০ জন মেরিন।
সক্রিয় সেনাসদস্যের সংখ্যার দিক থেকে এশিয়ায় পাকিস্তানের অবস্থান চতুর্থ। দেশটির সক্রিয় সামরিক সদস্য প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার।
স্থলবাহিনী
পাকিস্তানের স্থলবাহিনীর কাছে ৪ হাজার ৬০০টির বেশি কামান ও ২ হাজার ৫৭০টির বেশি ট্যাংক রয়েছে।
বিমানবাহিনী
পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বহরে ৪২০টির বেশি যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ–১৬, চীনের জে–১০সি এবং চীনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ–১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান।
নৌবাহিনী
পাকিস্তান নৌবাহিনীর বহরে রয়েছে আটটি সাবমেরিন ও ১২টি ফ্রিগেট (যুদ্ধজাহাজ)।
পাকিস্তানের ভূমি থেকে ভূমিতে এবং আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিশালী এবং আধুনিক ভান্ডার রয়েছে। দেশটির ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে এবং তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বেশ শক্তিশালী।
ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা
পাকিস্তানের ভূমি থেকে ভূমিতে এবং আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিশালী এবং আধুনিক ভান্ডার রয়েছে। দেশটির ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে এবং তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বেশ শক্তিশালী।
পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডার
পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে।