পারিবারিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করছে বারী হোম কেয়ার

আসেফ বারী
আসেফ বারী

সাদা ব্যস্ত এই নিউইয়র্ক শহরে মানুষ এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকে, যখন ঘড়ির কাঁটার সঙ্গে আমাদের ছুটতে হয় পাল্লা দিয়ে। সংসারে বয়োজ্যেষ্ঠ আপনজনদের যথার্থ সময় দেওয়া হয়ে ওঠে না। অর্থ উপার্জনের তাগিদে বয়স্ক আত্মীয়-স্বজনদের ঠিকমতো সেবা করার সময় হয় না। আবার বয়স্করাও নিজেদের দেখভালের জন্য ঘরে অপরিচিতদের ঢুকতে দিতে চান না অনেক সময়। এ অবস্থায় নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য বয়স্কদের জন্য চালু করেছে সিডিপ্যাপ প্রোগ্রাম, যার আওতায় পুরো অঙ্গরাজ্যে বয়স্ক ও শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিদের সেবা দিচ্ছে বারী হোম কেয়ার।

বারী হোমকেয়ারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিডিপ্যাপ একটি গ্রাহক নির্দেশিত ব্যক্তিগত সহায়তা প্রোগ্রাম, যা নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক স্বীকৃত। এর আওতায় বয়স্ক ও অক্ষম ব্যক্তিদের হোম কেয়ার সেবা সরবরাহ করা হয়। দক্ষ, পেশাদার ও যোগ্য লোকেদের দ্বারা এ সেবা দেওয়া হয়। নিউইয়র্ক স্টেট মেডিকেইডের আওতাধীন ১৮ বছরের বেশি বয়সী যে কেউ এই সুবিধা নিতে পারে। পাশাপাশি এর আওতায় ঘরে বসে নিজের পরিবারের সদস্য বা প্রিয়জনের সেবা করে প্রতি সপ্তাহে আয়ের সুযোগ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে এ সেবার সমস্ত খরচ মেডিকেইড বহন করবে। এটি সম্পূর্ণ আইনসম্মত। এখন এতে অনেকেই যুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে কমিউনিটিতে পারিবারিক বন্ধন আরও দৃঢ় হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই প্রোগ্রামের আওতায় ঘরে বসে আপনজনদের সেবা করার জন্য কোনো প্রশিক্ষণ বা সনদের প্রয়োজন নাই। এর মাধ্যমে ঘরে বসে বছরে সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার ডলার আয় করা সম্ভব। এখন অভিবাসী পরিবারগুলো দেশ থেকে বাবা-মা, শ্বশুর-শাশুড়ি ও বয়স্ক আত্মীয়দের প্রবাসে আনতে ভরসা পাচ্ছে। তাই হোমকেয়ার সুবিধার মাধ্যমে পারিবারিক বন্ধন মজবুত হচ্ছে এবং পরিবারগুলোর অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্ত হচ্ছে।

বারী হোম কেয়ার অনেক দিন ধরে কমিউনিটিতে অসুস্থ, শারীরিকভাবে চলাফেরায় অক্ষম ও প্রবীণদের সেবা দিয়ে আসছে নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জ্যাকসন হাইটস, জ্যামাইকা, ব্রঙ্কস, ওজোন পার্ক ও লং আইল্যান্ডে বারী হোম কেয়ার পাঁচটি কার্যালয় থেকে এ সেবা দিয়ে আসছে সর্বক্ষণ। কোভিড-১৯ মহামারিতেও কমিউনিটির সেবায় অগ্রণী ভূমিকা রেখে চলেছে বারী হোম কেয়ার।