
অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালির ওপর দিয়ে ওড়ার সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এটিতে থাকা দুই পাইলটই ‘ভালো আছেন’ বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ মঙ্গলবার এ তথ্য জানা গেছে।
গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের ওপর দিয়ে ওড়ার সময় বিমানটি কেন বিধ্বস্ত হলো, তা এখনো স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধে এই অঞ্চল অন্যতম প্রধান বিরোধপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে।
আজ ভোরের দিকে প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। এ সময় তিনি বলেন, ‘পাইলটরা ভালো আছেন’ এবং এ ঘটনায় কেউ আহত হননি।
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা আগামীকাল একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করতে যাচ্ছি। তবে পাইলটরা ভালো আছেন, হ্যাঁ।’
ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছেন, এমন দুজনের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস প্রথম এ খবর প্রকাশ করে।
চুক্তি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। সই করার পরপরই এটি উন্মুক্ত হবে, যা আগামী দুই বা তিন দিনের মধ্যে হতে পারে।ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট
গত এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতির পর গত রোববার রাত থেকে গতকাল সোমবার সকাল পর্যন্ত প্রথমবারের মতো সরাসরি পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়ায় ইরান ও ইসরায়েল। এ ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে আবারও একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি করে। অবশ্য পরে দুপক্ষই এই সংঘাত থেকে সরে আসে। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্পের ওই মন্তব্য সামনে এল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘ইরান যুদ্ধ’ শুরু করার পর থেকেই হরমুজ প্রণালির ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে তেহরান। সাধারণত বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ নৌপথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।
যুদ্ধ অবসানের চুক্তির অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই সামুদ্রিক নৌপথে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প।
দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর থেকে গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প বারবারই দাবি করছেন যে তাঁরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বাস্তব রূপ পায়নি।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আজ সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা একটি অত্যন্ত চমৎকার চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি। এ চুক্তি কোনোভাবেই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘চুক্তি সই হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এই প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। সই করার পরপরই এটি উন্মুক্ত হবে, যা আগামী দুই বা তিন দিনের মধ্যে হতে পারে।’
দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার পর থেকে গত কয়েক সপ্তাহে ট্রাম্প বারবারই দাবি করেছেন যে তাঁরা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বাস্তব রূপ পায়নি।