
যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট সংস্থার (আইসিই, যা আইস নামে পরিচিত) ভারপ্রাপ্ত প্রধান টড লায়ন্সকে আদালতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার যে অভিযোগ উঠেছে, সেই অভিযোগে তাঁকে কেন দণ্ডিত করা হবে না, আদালত তা জানতে চেয়েছেন।
টড লায়ন্সকে আগামী শুক্রবার সশরীর আদালতে উপস্থিত হয়ে এর ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার রাতে দাখিল করা একটি নথিতে মিনেসোটার ফেডারেল আদালতের প্রধান বিচারক প্যাট্রিক শিল্টজ এ নির্দেশ দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে আইসিই আদালতের নির্দেশ অনুসরণ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আইসিই একজন বন্দীর বন্ড শুনানির (জামিন আবেদন শুনানি) নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলেনি।
লিখিত ওই আদেশে প্যাট্রিক শিল্টজ বলেন, ‘এই আদালত বিবাদীর প্রতি অত্যন্ত ধৈর্যশীল আচরণ করেছেন, যদিও তারা ঠিক করেছে, হাজার হাজার এজেন্ট মিনেসোটায় পাঠিয়ে তারা বিদেশি নাগরিকদের আটক করবে। কিন্তু শত শত হেবিয়াস পিটিশন এবং অন্যান্য মামলার জবাব দিতে কোনো ব্যবস্থাই নেবে না। অথচ, নিশ্চিতভাবে এগুলোর শুনানি হবে। আদালত ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে।’
এ বিষয়ে জানতে গতকাল মঙ্গলবার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু সাড়া মেলেনি। আইসিই হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অধীন কাজ করে।
শিল্টজ বলেছেন, যদি ওই বন্দী মুক্তি পান, তবে তিনি শুক্রবারের শুনানি বাতিল করবেন।
এমন এক সময়ে শিল্টজ এমন নির্দেশ দিলেন, যখন আইসিইর বিরুদ্ধে মিনেসোটায় বিক্ষোভ হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির বাস্তবায়নে কাজ করছে আইসিই।
এই মাসে মিনিয়াপোলিসে পৃথক দুটি ঘটনায় আইসিই এজেন্টদের গুলিতে দুই মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহত দুই মার্কিন হলেন রেনি গুড এবং অ্যালেক্স প্রেটি।