
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবারই গ্রিনল্যান্ডকে অধিগ্রহণ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছেন। গত বুধবার একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পরও তিনি গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা নেওয়ার ইচ্ছা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ওই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
ট্রাম্পের এমন ইচ্ছার ব্যাপারে মার্কিন জনগণের অবস্থান কী? জনমত জরিপ কী বলছে?
চলতি সপ্তাহে রয়টার্স/ইপসোস একটি জনমত জরিপ পরিচালনা করেছে। জরিপ অনুযায়ী, মার্কিন জনগণের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টাকে সমর্থন দেওয়া মানুষের সংখ্যা প্রতি ৫ জনে ১ জনেরও কম। আর প্রতি ১০ জনের ১ জন মনে করেন, এটি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহার করা উচিত।
তবে পশ্চিম গোলার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য বিস্তার করা উচিত কি না—সেই প্রশ্নে মার্কিন জনগণের মধ্যে মতভেদ কম। একইভাবে বিশ্বজুড়ে সামরিক শক্তি ব্যবহারে ট্রাম্পের আগ্রহ নিয়েও কম মতভেদ দেখা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলা মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নিয়ে যাওয়ার এক সপ্তাহের একটু বেশি সময় পর জরিপটি পরিচালিত হয়েছে।
গ্রিনল্যান্ডের বাসিন্দারা বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বেগের মধ্যে আছেন। দ্বীপটির নেতারা ডেনমার্কের সঙ্গে ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন।
ডেনমার্ক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় এ দ্বীপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে আরও বড় পরিসরে ও স্থায়ীভাবে ন্যাটোর উপস্থিতি বজায় রাখার ব্যাপারে তাদের পরিকল্পনা আছে।
গত বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় দেশগুলো গ্রিনল্যান্ডে কিছুসংখ্যক সেনা পাঠিয়েছে।
ট্রাম্প জোর করে ওই ভূখণ্ড দখলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।
হোয়াইট হাউস সতর্ক করে বলেছে, ইউরোপীয় দেশগুলোর সেনা মোতায়েনের বিষয়টি ট্রাম্পের চিন্তাভাবনায় কোনো প্রভাব ফেলবে না।