বিশ্বের কোন ১০ দেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি বাঁচে

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, উন্নত চিকিৎসা ও সুষম জীবনব্যবস্থা মানুষের গড় আয়ু নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশ্বব্যাপী মানুষের গড় আয়ু এখন আগের চেয়ে বেশি। এ প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয়েছে গড় আয়ু নিয়ে গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানে। গড় আয়ু নির্ধারণ করা হয় একটি দেশের জনসংখ্যার বয়সভিত্তিক মৃত্যুহারের ওপর ভিত্তি করে।

জাতিসংঘের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের কয়েকটি দেশ তাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নের মাধ্যমে নাগরিকদের গড় আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলেছে। এখন কয়েকটি দেশে গড় আয়ু ৮৬ বছর ছুঁয়েছে, যা এক সময় ছিল কল্পনাতীত। সে ক্ষেত্রে বলা যায়, আপনি কত বছর বাঁচবেন, তা আপনি কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং বসবাস করছেন তার ওপর অনেকাংশে নির্ভর করে।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, গড় আয়ুর পেছনে আরও তিনটি প্রধান উপাদান কাজ করে। সেগুলো হলো জিনগত বৈশিষ্ট্য, লিঙ্গ ও জীবনযাপন। জীবনযাপনে মধ্যে রয়েছে পরিচ্ছন্নতা, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম, পেশা, ধূমপানের মতো অভ্যাস, স্বাস্থ্যসেবায় প্রবেশাধিকার, এমনকি অপরাধের মাত্রাও। এসব উপাদানের বৈচিত্র্যই বিভিন্ন দেশের গড় আয়ুর ব্যবধান তৈরি করে। বর্তমানে কোন ১০ দেশ ও অঞ্চল গড় আয়ুতে সবচেয়ে এগিয়ে এবং এর পেছনে কী কী কারণ কাজ করেছে, তা জেনে নেওয়া যাক। তালিকাটি জাতিসংঘের দেওয়া ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান ধরে করা।

মোনাকো

মোনাকোর বাসিন্দারা মেডিটেরিয়ান ডায়েট অনুসরণ করেন, যা মূলত স্বাস্থ্যকর সামুদ্রিক মাছ, ফলমূল ও শাকসবজিতে পরিপূর্ণ

বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ মোনাকো। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে গড় আয়ুতে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ মোনাকো। দেশটির মানুষদের গড় আয়ু সাড়ে ৮৬ বছর। দেশটিতে পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি দিন বাঁচেন। সেখানে পুরুষদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ১৭ বছর ও নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৬ বছর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মোনাকোর বাসিন্দাদের দীর্ঘ আয়ুর পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। সেখানে মানুষের খাদ্যাভ্যাস এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। মোনাকোর বাসিন্দারা মেডিটেরিয়ান ডায়েট অনুসরণ করেন, যা মূলত স্বাস্থ্যকর সামুদ্রিক মাছ, ফলমূল ও শাকসবজিতে পরিপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, দেশটির সরকার প্রদত্ত উন্নত স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা। তৃতীয়ত, এখানকার অধিকাংশ নাগরিকের হাতে যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ থাকে, যা তাঁদের সুস্থ জীবনযাপন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে সহায়তা করে।

সান মারিনো

সান মারিনোতে বিভিন্ন বিষয়ে নারীরা ভোটের মাধ্যমে তাঁদের মতামত জানাতে পারেন

বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রগুলোর একটি সান মারিনো। ইউরোপের ছোট্ট এই দেশের মানুষের গড় আয়ু ৮৫ দশমিক ৪ বছর। এখানেও পুরুষদের তুলনায় নারীরা বেশি দিন বাঁচেন। পুরুষদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ১৭ বছর ও নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৬ বছর।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হংকং দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটায়। এর পর থেকে সেখানকার মানুষের গড় আয়ু ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে। হংকংয়ে বিশ্বমানের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। উন্নত শিশুস্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার কারণে বিশ্বে হংকংয়েই শিশুমৃত্যুহার সর্বনিম্ন।

ঐতিহাসিক স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত দেশটিতে উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়। একটি দেশের মানুষের আয়, শিক্ষা ও পেশার সঙ্গে গড় আয়ুর গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সান মারিনোর উচ্চ সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান সেখানকার মানুষের উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ও সামগ্রিকভাবে ভালো মানের জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দেয়। কোনো দেশ বা অঞ্চলের গড় আয়ু বৃদ্ধিতে এসবও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

হংকং

পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় হংকং শহরের মনোরম একটি দৃশ্য

চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল হংকং। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালে হংকংয়ের বাসিন্দাদের গড় আয়ু ছিল বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ। হংকংয়ে নারীদের গড় আয়ু ৮৮ দশমিক ৩ বছর ও পুরুষদের ৮৩ বছর।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর হংকং দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটায়। এর পর থেকে সেখানকার মানুষের গড় আয়ু ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে। হংকংয়ে বিশ্বমানের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। উন্নত শিশুস্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার কারণে বিশ্বে হংকংয়েই শিশুমৃত্যুহার সর্বনিম্ন।

গত কয়েক দশকে গড় আয়ু বৃদ্ধিতে সবচেয়ে দ্রুত উন্নতি দেখিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। মাত্র কয়েক দশক আগে, ১৯৬০ সালে দেশটিতে গড় আয়ু ছিল প্রায় ৫২ বছর। পুষ্টি সম্পর্কে ভালো বোঝাপড়া, সুষম খাদ্য বণ্টনে উন্নতি এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় সব শ্রেণির মানুষের অধিকতর প্রবেশাধিকার দক্ষিণ কোরিয়ার দীর্ঘায়ু অর্জনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। দেশটি যেভাবে গড় আয়ু বৃদ্ধিতে উন্নতি করছে তাতে ২০৩০ সাল নাগাদ দক্ষিণ কোরিয়াই বিশ্বের সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ হয়ে উঠতে পারে বলে মত অনেক বিশেষজ্ঞের।

জাপান

জাপানের বাসিন্দারা ব্যক্তিগতভাবে খুবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকেন

২০২৪ সালের হিসাবে জাপান বিশ্বের চতুর্থ সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ। নারীদের গড় আয়ু প্রায় ৮৭ দশমিক ৯ বছর ও পুরুষদের ৮১ দশমিক ৮ বছর। দেশটির বাসিন্দাদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ৯ বছর।

২০১৬ সালের এক গবেষণা অনুযায়ী, জাপানে মানুষের দীর্ঘ আয়ুর পেছনে প্রধান কারণ হলো তাদের খাদ্যাভ্যাস। জাপানিরা প্রচুর পরিমাণে ফলমূল, শাকসবজি, তাজা মাংস ও মাছ এবং শস্যজাত খাবার খান, যা অনেকটা মেডিটেরিয়ান ডায়েটের মতো।

এ ছাড়া প্রায় ৫০ বছর আগে জাপান সরকার জনস্বাস্থ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ করেছিল, ফলে শক্তিশালী শিশুর টিকাদান কর্মসূচি ও সর্বজনীন স্বাস্থ্যবিমা চালু হয়। এগুলোও জাপানের গড় আয়ু বৃদ্ধির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জাপানি নাগরিকেরা বয়স বাড়লেও শারীরিকভাবে বেশ সক্রিয় থাকেন।

দক্ষিণ কোরিয়া

সুস্থ থাকতে কায়িক পরিশ্রম ও মানসিক প্রশান্তির ওপর জোর দেন দক্ষিণ কোরিয়ার বাসিন্দারা

জাপানের পর গড় আয়ুতে এগিয়ে আছে দক্ষিণ কোরিয়া। ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার মানুষের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ৪ বছর।  দেশটিতে নারীদের গড় আয়ু ৮৭ দশমিক ৩ বছর ও পুরুষদের গড় আয়ু ৮১ দশমিক ৩ বছর।

গত কয়েক দশকে গড় আয়ু বৃদ্ধিতে সবচেয়ে দ্রুত উন্নতি দেখিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। মাত্র কয়েক দশক আগে, ১৯৬০ সালে দেশটিতে গড় আয়ু ছিল প্রায় ৫২ বছর। পুষ্টি সম্পর্কে ভালো বোঝাপড়া, সুষম খাদ্য বণ্টনে উন্নতি এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় সব শ্রেণির মানুষের অধিকতর প্রবেশাধিকার দক্ষিণ কোরিয়ার দীর্ঘায়ু অর্জনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। দেশটি যেভাবে গড় আয়ু বৃদ্ধিতে উন্নতি করছে, তাতে ২০৩০ সাল নাগাদ দক্ষিণ কোরিয়াই বিশ্বের সর্বোচ্চ গড় আয়ুর দেশ হয়ে উঠতে পারে বলে মত অনেক বিশেষজ্ঞের।

সেন্ট বার্তেলেমি

ইউজেনি ব্লঁশার একসময় বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। তাঁর জন্মস্থান সেন্ট বার্তেলেমি

ফ্রান্সের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সেন্ট বার্তেলেমি। ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ছোট এই দ্বীপাঞ্চলের বাসিন্দাদের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ৪ বছর। সেখানে নারীদের গড় আয়ু ৮৬ দশমিক ৯ বছর ও পুরুষদের গড় আয়ু ৮১ দশমিক ৬ বছর। প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, উন্নত জীবনমান ও স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতার মতো ইতিবাচক প্রবণতার কারণে ভবিষ্যতে এখানকার মানুষদের গড় আয়ু আরও বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

ফরাসি পলিনেশিয়া

এটিও একটি স্বায়ত্তশাসিত ফরাসি অঞ্চল। ফরাসি পলিনেশিয়া প্রায় ১১৮টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত। কোথাও কোথাও এটিকে দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কারণ, সেখানে স্থানীয় সরকার, প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট আছে এবং এটি একটি বিদেশি রাষ্ট্রের মর্যাদা পায়।

জাতিসংঘের দেওয়া ২০২৪ সালে সর্বোচ্চ গড় আয়ুর তালিকায় ফরাসি পলিনেশিয়ার বাসিন্দারা ৭ নম্বরে রয়েছেন। সেখানে মানুষের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ২ বছর। নারীদের গড় আয়ু ৮৬ দশমিক ৬ বছর ও পুরুষদের গড় আয়ু ৮১ দশমিক ৯ বছর।

সুইজারল্যান্ডের মানুষদের দীর্ঘ আয়ুর পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সক্রিয় জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি ও জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি। দেশটির মানুষ দুগ্ধজাত খাবার, বিশেষ করে পনির ও ডার্ক চকলেট বেশি খান। তাঁদের এ খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘ আয়ু পেতে ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হয়।

অ্যান্ডোরা

অ্যান্ডোরার রাজধানী অ্যান্ডোরা লা ভেল্লা

স্পেন ও ফ্রান্সের মধ্যে অবস্থিত ছোট্ট পাহাড়ি দেশ অ্যান্ডোরা। ইউরোপের অন্যতম ক্ষুদ্র এই দেশ বসবাসের জন্য বিশ্বের শীর্ষ নিরাপদ দেশের তালিকায় ২ নম্বরে রয়েছে। উন্নত জীবনমান এবং স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবায় সব শ্রেণির মানুষের অধিকতর প্রবেশাধিকার থাকায় অ্যান্ডোরায় মানুষের গড় আয়ু বেশি। সেখানে মানুষের গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ২ বছর। নারীদের গড় আয়ু ৮৬ দশমিক ২ বছর ও পুরুষদের গড় আয়ু ৮২ দশমিক ৩ বছর।

সুইজারল্যান্ড

সক্রিয় জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি ও জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি সুইজারল্যান্ডের মানুষদের দীর্ঘায়ু পেতে সহায়তা করে

সুইজারল্যান্ডে গড় আয়ু ৮৪ দশমিক ১ বছর। নারীদের গড় আয়ু প্রায় ৮৬ বছর ও পুরুষদের ৮২ দশমিক ২ বছর। ২০ শতকের শুরুতে দেশটিতে গড় আয়ু যা ছিল, এখন তা তার প্রায় দ্বিগুণ।

সুইজারল্যান্ডের মানুষদের দীর্ঘ আয়ুর পেছনে বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে সক্রিয় জীবনযাপন, মানসিক প্রশান্তি ও জীবনের প্রতি সন্তুষ্টি। দেশটির মানুষ দুগ্ধজাত খাবার, বিশেষ করে পনির ও ডার্ক চকলেট বেশি খান। তাঁদের এ খাদ্যাভ্যাস দীর্ঘ আয়ু পেতে ভূমিকা রাখে বলে ধারণা করা হয়।

এ ছাড়া সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের যেকোনো দেশের তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বেশি শতাংশ ব্যয় করে। পাশাপাশি দেশটির মানুষ ঐতিহ্যগতভাবে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যচর্চা ও সুস্থ বার্ধক্যকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করেন।

অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়া তাদের মোট জিডিপির একটি বড় অংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে

অস্ট্রেলিয়ায় ২০২৪ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৮৪ দশমিক ১ বছর। অন্যান্য দেশের মতো এখানেও নারী ও পুরুষের মধ্যে আয়ুতে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। নারীদের গড় আয়ু ৮৫ দশমিক ৫ বছর ও পুরুষদের গড় আয়ু ৮২ দশমিক ৩ বছর।

অস্ট্রেলিয়ার মানুষদের দীর্ঘায়ুর কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা, সুপেয় পানি, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, সক্রিয় জীবনযাপন ও সরকারের প্রতিরোধমূলক চিকিৎসায় জোর। দেশটি তাদের মোট জিডিপির একটি বড় অংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড পপুলেশন ডটকম, জাতিসংঘ, বিশ্বব্যাংক