সাড়ে ২৫ শতাংশ প্রার্থী ঋণগ্রস্ত, পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার বেশি: টিআইবি

রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। আজ বৃহস্পতিবারছবি: টিআইবির ফেসবুক পেজের ভিডিও থেকে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট প্রার্থীর মধ্যে সাড়ে ২৫ শতাংশের কোনো না কোনো ঋণ বা দায় রয়েছে। তাঁদের মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ হাজার ৮৬৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকঋণের পরিমাণ ১৭ হাজার ৪৭১ কোটি টাকা বেশি। সবশেষ পাঁচ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে এবার ঋণ বা দায়গ্রস্ত প্রার্থী কম। তবে এবার প্রার্থীদের মোট ঋণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) করা ‘নির্বাচনী হলফনামায় প্রার্থী পরিচিতি: ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ২০২৬’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবেদনটির তথ্য তুলে ধরা হয়। তথ্য তুলে ধরেন টিআইবির কর্মকর্তা মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। এ সময় বক্তব্য দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।

আরও পড়ুন

টিআইবির বিশ্লেষণের তথ্য বলছে, বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৪১ শতাংশ ঋণ বা দায়গ্রস্ত। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ৩৩ শতাংশ। জাতীয় পার্টির প্রায় ২৭ শতাংশ। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রার্থী ঋণ বা দায়গ্রস্ত।

৪৮ শতাংশের বেশি ব্যবসায়ী

টিআইবির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট প্রার্থী ১ হাজার ৯৮১ জন। এর মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রার্থী হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৬ জন। মোট প্রার্থীর মধ্যে ৭৬ দশমিক ৪২ শতাংশ স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। এর মধ্যে ২৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ স্নাতক, আর প্রায় ৪৮ শতাংশ স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী।

আরও পড়ুন

টিআইবির বিশ্লেষণ বলছে, এবার ৪৮ শতাংশের বেশি প্রার্থী মূল পেশা বিবেচনায় ব্যবসায়ী। আইন পেশায় আছেন ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ প্রার্থী। শিক্ষকতা পেশায় আছেন প্রায় ১২ শতাংশ প্রার্থী। এর পরেই রয়েছেন চাকরিজীবী ও কৃষিজীবী পেশার প্রার্থীরা। আর রাজনীতিকে পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন মাত্র ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রার্থী।

টিআইবি বলছে, বর্তমানে মামলা আছে—এমন প্রার্থী আছেন ৫৩০ জন। আর অতীতে মামলা ছিল—এমন প্রার্থী আছেন ৭৪০ জন।

আরও পড়ুন