ডিসিদের দেওয়া নির্দেশনার কথা জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে যেন ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানো হয়। দুর্নীতিকে যেকোনো মূল্যে হোক নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। আর অভিযুক্ত ব্যক্তি যে-ই হোক, তাঁদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান-তদন্ত করতে প্রস্তুত আছেন তাঁরা।

দুদক চেয়ারম্যান জানান, দুদকের প্রতিরোধ ও প্রতিকারমূলক কাজ কী, তা ডিসিদের জানানো হয়েছে। তাঁদের বলা হয়েছে, তাঁরা সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিটি জেলায় কাজ করেন। তাঁদের জেলায় কোথাও দুর্নীতির কোনো সংবাদ এলে তাঁরা যেন বসে না থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান, যাতে দুর্নীতি না হতে পারে। একই সঙ্গে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে। এ ছাড়া কীভাবে দুদকে অভিযোগ পাঠাতে হয় এবং ১০৬ নম্বরের অভিযোগ জানানোর বিষয়েও জনগণকে অবহিত করতে ডিসিদের বলা হয়েছে।

ভূমি অফিসে সেবা নিতে গেলে বেশি দুর্নীতি হয় বলে ধারণা আছে, এগুলো ডিসিদের তদারকির কথা, এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা আছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ বলেন, শুধু ভূমি অফিস নয়, সব অফিসের জন্যই বলা আছে। কোথায় কোথায় দুর্নীতি হয়, তা চিহ্নিত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আর ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ভূমি অফিসের দুর্নীতি কিছুটা কমানো সম্ভব হবে, এ বিষয়েও বলা হয়েছে।

ডিসিদের বিষয়ে কোনো সতর্কবার্তা দিয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এটি ডিসি, সহকারী কমিশনারের বিষয় নয়, যাঁর বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যাবে এবং সেটি যদি অনুসন্ধানযোগ্য হয়, তাহলে অবশ্যই অনুসন্ধান হবে। এটি তাঁদের জানানোই আছে।