সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে সতর্ক বিজ্ঞপ্তি, চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান পরীক্ষার্থীদের

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ পরীক্ষা নিয়ে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক করে বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। আজ মঙ্গলবার অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। তাই কোনো প্রকার দালাল বা প্রতারক চক্রের প্রলোভনে পড়ে অর্থ লেনদেন না করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তরের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শিক্ষক নিয়োগের রোল নম্বর প্রদান, আসনবিন্যাস, প্রশ্নপত্র মুদ্রণ, উত্তরপত্র মূল্যায়নসহ যাবতীয় কাজ সফটওয়্যারের মাধ্যমে করা হয়। এখানে কোনো স্তরেই অবৈধ হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। ফলে কেউ অর্থের বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলে তাকে দ্রুত থানায় সোপর্দ করতে বা গোয়েন্দা সংস্থাকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতেও সতর্ক করা হয়েছে।

১০ লাখ ৮০ হাজার প্রার্থীর এ বিশাল কর্মযজ্ঞে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা ‘কেন্দ্র কন্টাক্ট’ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের শঙ্কা কাটাতে এবার প্রশাসন ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা

৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই বেলা ২টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে এবং ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হবে। এরপর আর কোনো প্রার্থীকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

এবারের পরীক্ষায় অদৃশ্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস শনাক্ত করতে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান উন্মুক্ত রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কানের ভেতর ডিভাইস আছে কি না, তা যাচাই করতে পরিদর্শকেরা প্রয়োজনে টর্চলাইট ব্যবহার করবেন। এ ছাড়া কেন্দ্রে মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্ট ওয়াচ বা যেকোনো ধরনের ঘড়ি, ভ্যানিটি ব্যাগ ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো প্রার্থীর কাছে এসব সামগ্রী পাওয়া গেলে তাঁকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কারসহ ফৌজদারি আইনে মামলা করা হবে।

আরও পড়ুন

প্রয়োজনীয় নথিপত্র

পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য রঙিন প্রিন্ট করা প্রবেশপত্র এবং মূল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে আনা বাধ্যতামূলক। উত্তরপত্র (ওএমআর) পূরণে অবশ্যই কালো কালির বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। মেধার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নিয়োগ সম্পন্ন হবে বলে অধিদপ্তর আবার আশ্বস্ত করেছে।

আরও পড়ুন