বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত শনিবার বেলা তিনটা থেকে চারটা পর্যন্ত ১ হাজার ৫১১টি পদের বিপরীতে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় অংশ নেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৪২৭ জন চাকরিপ্রত্যাশী। একাধিক প্রার্থীর দাবি, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র ফেসবুকে পাওয়া গেছে।

ফেসবুকে উত্তরপত্র ছড়ানোর ঘটনায় চাকরিপ্রার্থীরা প্রশ্ন তোলেন, পরীক্ষা চারটার সময় শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই ১০০টি প্রশ্নের ‘সঠিক উত্তর’ ফেসবুকে পাওয়া সম্ভব নয়—তাই এটা প্রশ্নপত্র ফাঁস।

আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার সিলেকশন কমিটি পরীক্ষাটি সম্পাদন করে।

গতকাল এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেপ্তারের কথা সংবাদ সম্মেলন করে জানায় পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির টেকনিশিয়ান মো. মোক্তারুজ্জামান ওরফে রয়েল (২৬), রূপালী ব্যাংকের সাভার শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানে আলম ওরফে মিলন (৩০), পূবালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে মিলন (৩৮), রাইসুল ইসলাম ওরফে স্বপন (৩৬) ও মো. শামসুল হক ওরফে শ্যামল (৩৪)। প্রশ্নপত্র ফাঁসে প্রতিষ্ঠানটি ৬০ কোটি টাকা লেনদেন করেছে বলে পুলিশ জানায়।

সরকারি ব্যাংকে চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কাছে ব্যাখা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টিকে কেন কালো তালিকাভুক্ত করা হবে না, তা জানতে গতকাল বিকেলে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অধীনে থাকা ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটি।
এদিকে এ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির তিন কর্মীকে গতকালই বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় পূবালী ব্যাংকের একজন প্রিন্সিপাল অফিসারও বরখাস্ত হয়েছেন।

নিয়োগ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন