রায় শোনার পর আদালত থেকে সোজা এফডিসিতে ছুটে আসেন নিপুণ। ৯ মাসের আইনি লড়াই শেষে সিনেমার নায়িকার মতোই জয়ী হয়ে ফিরলেন এই চিত্রনায়িকা। গলায় ফুলের মালা, মুখে হাসি—ঘোড়ার গাড়িতে চেপে হাত নেড়ে শিল্পীদের অভিবাদনের জবাব দিলেন নিপুণ আক্তার। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ইতিহাসে তিনি প্রথম নারী সাধারণ সম্পাদক।

সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে বহু ঝড়ঝঞ্ঝা পেরোতে হয়েছে, ফলে আনন্দযাত্রাটাও ছিল বর্ণিল। ঘোড়ার গাড়িতে চেপে পরিচালক সমিতির সামনে আসতেই নিপুণকে ঘিরে ধরেন শিল্পীরা, তাঁকে নিয়ে মিছিল করতে থাকেন তাঁরা। পাশেই কর্নেটে বেজে চলে ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’, সঙ্গে ড্রামের দ্রিমদ্রিম, ট্রাম্পেটের পোঁ পোঁ আর করতালের ঝনঝনানিতে মুখর হয়ে ওঠে এফডিসি প্রাঙ্গণ।

বিকেল চারটার দিকে এফডিসির বাগানে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নিপুণ আক্তার। তিনি বলেন, ‘৯ মাস ধরে অনেক কিছু চলছিল, একবার বলা হচ্ছিল আমি থাকব, আরেকবার বলা হচ্ছিল আমার প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবেন। তবে আমি সব সময় বলেছি, আমরা সততার সঙ্গে নির্বাচন করেছি। এই মেয়াদের অবশিষ্ট ১৩ মাস শিল্পীদের জন্য কাজ করে যাব।’
সংবাদ সম্মেলনে নিপুণের সঙ্গে ছিলেন শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, সহসাধারণ সম্পাদক সাইমন সাদিক, শিল্পী সমিতি নির্বাচনের আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান, প্রযোজক খোরশেদ আলম প্রমুখ।