৯ নভেম্বর চূড়ান্ত দল ঘোষণাতেও ২৫ জনই ছিল। পরে মার্কাস থুরামকে যুক্ত করে ২৬ জনের কোটা পূর্ণ করা হয়। কিমপেম্বের বদলি হিসেবে আজেল দিসাসি আর এনকুকুর বদলি হিসেবে নেওয়া হয় রান্দাল কোলো মুয়ানিকে।

এবার বেনজেমার বদলি হিসেবে নেওয়া হবে কাকে? আদৌ কি নেওয়া হবে?
আজ কাতারের দোহায় ফ্রান্স কোচকে এ প্রশ্নটিই করেছিল ফরাসি টেলিভিশন টিএফওয়ান। জবাবে সরাসরিই ‘না’ বলে দেন দেশম।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দল তাদের প্রথম ম্যাচ শুরুর ২৪ ঘণ্টা আগপর্যন্ত চোটাক্রান্ত ফুটবলারদের বদলি নিতে পারবে। ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচ ২২ নভেম্বর বলে এখনো বেনজেমার বদলি নেওয়ার সুযোগ আছে দেশমের।

কিন্তু সেই সুযোগ ফ্রান্স কোচ কেন নিচ্ছেন না?
দেশম এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সোজাসাপটা ভাষায়, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটাই কারণ।’

ফ্রান্স কোচ যে বেশ বিরক্ত, সেটা তাঁর উত্তরের ধরনেই স্পষ্ট। পরে অবশ্য নিজেও বিষয়টি খোলাসা করেছেন, ‘এটা ভালো লাগার মতো ব্যাপার নয়। মুখে হাসি আনা যায় না। এরই মধ্যে আমরা ক্রিস্তোফারকে হারিয়েছি। যেটা সবার জন্যই ছিল বেদনাদায়ক। এখন করিমও খেলতে পারবে না। অনুশীলনে দুর্ভাগ্যজনক চোটের ঘটনা ঘটে। কিন্তু এটা কিছুতেই সঠিক সময় ছিল না।’

বেনজেমা না থাকলেও ফ্রান্সের আক্রমণভাগ এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী। পিএসজি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে আছেন আঁতোয়ান গ্রিজমান, অলভিয়ের জিরু, উসমান দেম্বেল কিংসলি কোমান, থুরাম ও মুয়ানিরা।

২০১৮ আসরের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের এবারের অভিযান শুরু হবে ২২ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। ‘ডি’ গ্রুপে ফরাসিদের অপর দুই প্রতিপক্ষ ডেনমার্ক (২৬ নভেম্বর) ও তিউনিসিয়া (৩০ নভেম্বর)।