ক্রিমিয়ার কার্চ সেতুতে ইউক্রেনের হামলা ঠেকাল রাশিয়া

অধিকৃত ক্রিমিয়া ও রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ কার্চ সেতু
ফাইল ছবি: রয়টার্স

ক্রিমিয়ার কার্চ সেতুতে হামলার জন্য দুটি রকেট নিক্ষেপ করেছিল ইউক্রেন। রাশিয়ার দাবি, সেতুতে পৌছানোর আগে এ দুটি রকেট ধ্বংস করা হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার এ ঘটনা ঘটেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, কার্চ সেতুর পাশ থেকে ধোঁয়া উড়ছে। পরে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, কার্চ সেতুতে হামলার জন্য দুটি এস–২০০ রকেট নিক্ষেপ করেছিল কিয়েভ। রকেট দুটি ধ্বংস করেছে রুশবাহিনী।

তবে রাশিয়ার এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি ইউক্রেন সরকার। গত কয়েক মাসে ক্রিমিয়ার কার্চ সেতুতে ইউক্রেনের হামলা নস্যাৎ করে দেওয়ার একাধিক দাবি করছে রাশিয়া।

অধিকৃত ক্রিমিয়া ও রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সরাসরি যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কার্চ সেতু। ক্রিমিয়া সেতু নামেও এই স্থাপনা পরিচিত।

আরও পড়ুন

ক্রিমিয়া একসময় ইউক্রেনের অংশ ছিল। ২০১৪ সালে ভূখণ্ডটি দখল করে নেয় রাশিয়া। এরপর ক্রিমিয়াকে নিজেদের ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় মস্কো। চার বছরের মাথায় চালু করা হয় কার্চ সেতু।

এই সেতু ১২ মাইল বা প্রায় ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ। সাগরে কার্চ প্রণালির ওপর নির্মাণ করা এ সেতুর উচ্চতা স্ট্যাচু অব লিবার্টির চেয়েও বেশি। এটা ইউরোপের সবচেয়ে দীর্ঘ সেতু। এতে সড়ক ও রেলপথ যুক্ত রয়েছে। কার্চ সেতু বানাতে রাশিয়ার খরচ হয়েছে ৩৬০ কোটি ডলার।

আরও পড়ুন

২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ হামলা শুরুর পর থেকে কার্চ সেতুর কৌশলগত গুরুত্ব বহুলাংশে বেড়ে যায়। কৃষ্ণসাগরে অবস্থান করা রুশ নৌবহরে জ্বালানি, খাবারসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এই সেতু দিয়ে পাঠানো হয়। যুদ্ধ শুরুর পর কার্চ সেতুতে একাধিক বড় হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন।

আরও পড়ুন