২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি হয় আসিম মুনিরের। দুই মাস বাদে ওই পদে দায়িত্ব পালন শুরু করেন তিনি। সে হিসেবে ২৭ নভেম্বর লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে তাঁর মেয়াদ পূর্ণ হবে। কাছাকাছি সময়ে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের পদ থেকে কামার জাভেদ বাজওয়া অবসরে যাচ্ছেন।

পাকিস্তানের মাংলায় অবস্থিত অফিসার্স ট্রেনিং স্কুলের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে পা রাখেন আসিম মুনির। তাঁর স্থান হয় সেনাবাহিনীর ছয়টি পদাতিক রেজিমেন্টের একটি ফ্রন্টিয়ার ফোর্স রেজিমেন্টে। পরে তিনি পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে মোতায়েন করা সেনাসদস্যদের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ফোর্স কমান্ড নর্দান এরিয়াসের কমান্ডার ছিলেন।

একই সময় সেনাবাহিনীর এক্স-ফোর্সের দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়া। ফোর্স কমান্ড নর্দান এরিয়াস হলো এক্স-ফোর্সের একটি অংশ। এ সময় বাজওয়ার ঘনিষ্ঠ একজন সেনা কর্মকর্তায় পরিণত হন আসিম মুনির।

২০১৭ সালের শুরুর দিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা শাখা ‘মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স’–এর মহাপরিচালক হন আসিম মুনির। পরের বছর পাকিস্তানের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) প্রধান হয়েছিলেন তিনি।  

তবে আইএসআইপ্রধান হিসেবে আসিম মুনিরের মেয়াদ ছিল সবচেয়ে কম সময়ের। মাত্র আট মাসের মাথায় পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের জোরাজুরিতে তাঁকে এ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আইএসআইয়ের নতুন প্রধান হন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফাইজ হামিদ।

আইএসআইয়ের প্রধানের পদ থেকে সরে যাওয়ার পর আসিম মুনিরকে গুজরানওয়ালা কর্পসের কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এ পদে তিনি দুই বছর ছিলেন। পরে তিনি রাওয়ালপিন্ডিতে সেনাবাহিনীর প্রধান কার্যালয়ে কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পান।