অসহায়দের ছবি না তুলেই খাদ্যসহায়তা দিল 'স্বপ্ন নিয়ে'

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি এবং কমলনগর উপজেলার ঘরবন্দী কর্মহীন ৪০০ পরিবারের সদস্যদের খাদ্যসহায়তা দিল সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্ন নিয়ে’। ছবি: বিজ্ঞপ্তি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি এবং কমলনগর উপজেলার ঘরবন্দী কর্মহীন ৪০০ পরিবারের সদস্যদের খাদ্যসহায়তা দিল সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্ন নিয়ে’। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে লক্ষ্মীপুরের রামগতি এবং কমলনগর উপজেলার ঘরবন্দী কর্মহীন ৪০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসহায়তা দিল সামাজিক সংগঠন ‘স্বপ্ন নিয়ে’। ৬ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকেরা অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে এ খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন। তবে সাধারণ মানুষের দিক বিবেচনায় সহায়তা প্রদানের সময় কোনো ধরনের ছবি তুলতে সংগঠনের পক্ষ থেকে নিষেধ ছিল। খাদ্যসহায়তার মধ্যে ছিল চাল, মসুর ডাল, সয়াবিন তেল, পেঁয়াজ ও সাবান।

সহায়তাপ্রাপ্ত কমলনগরের উত্তর চর লঞ্চে গ্রামের জুতা সেলাইয়ের কাজ করা এক কর্মজীবী জানান, কয়েক দিন কোনো কাজ নেই। অনেক কষ্টের মাঝে এ সহায়তা পেয়ে আমরা অত্যন্ত খুশি হয়েছি।

‘স্বপ্ন নিয়ে’র প্রতিষ্ঠাতা আশরাফুল আলম হান্নান বলেন, করোনার কারণে প্রান্তিক মানুষেরা কর্মহীন হয়ে অত্যন্ত অসহায় হয়ে পড়ছেন। এ বিপদের মুহূর্তে কিছু হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমাদেরও ভালো লাগছে। তিনি আরও বলেন, ‘এ সময় যদি সবাই সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের জন্য আমরা আরও বেশি বেশি সহায়তার ব্যবস্থা করতে পারব।’ তিনি সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

৬ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত অসহায় মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেন স্বেচ্ছাসেবকেরা। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

এর আগে সংগঠনটি রামগতি, কমলনগর ও নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৪০ জন চিকিৎসকের মধ্যে পারসোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) প্রদান, জনসাধারণের জন্য ৭টি হ্যান্ডওয়াশ বক্স স্থাপন, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ডওয়াশ সামগ্রী ও লিফলেট বিতরণ, স্প্রের মাধ্যমে জীবাণুনাশক ছিটানো, দোকানের সামনে দূরত্ব চিহ্ন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সেলিং ও সাবান বিতরণ, বিভিন্ন স্থানে ব্যানার স্থাপনসহ বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক কাজ করছে স্বপ্ন নিয়ে। বিজ্ঞপ্তি