লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) দুই কোটি ৬০ লাখ টাকার দরপত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দরপত্রে অংশগ্রহণকারী কে সি এ কনসোর্টিয়াম নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নুরুল হুদা চৌধুরী মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এই অভিযোগ করেন।
ইউএনও মোহামঞ্চদ আবদুল আওয়াল লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গলবার বেলা একটায় ওই দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল।
নুরুল হুদা চৌধুরী বলেন, দরপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে শিডিউল বিক্রয় ও গ্রহণের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। তাঁর দাবি, একটি মহলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য এটা করা হয়েছে। এতে পূর্বনির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরপত্র জমা দিয়েও তাঁরা বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর সূত্র জানায়, প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প—তৃতীয় পর্যায়ের আওতায় চারটি বিদ্যালয় ভবন নির্মাণের জন্য দুটি প্যাকেজে দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা প্রাক্কলিত মূল্যে উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ ১৫ জুলাই দরপত্র আহ্বান করে।
লক্ষ্মীপুর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় এবং রামগতি ও কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে শিডিউল বিক্রয় করা হয়। শিডিউল বিক্রির শেষ দিন সোমবার পর্যন্ত কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে আটটি শিডিউল বিক্রি হয়।
কমলনগর উপজেলা প্রকৌশলী মীর হোসেন বলেন, ‘অনিবার্য কারণে প্রত্যাশিত দরপত্র জমা না পড়ায় পিপিআরের শর্ত অনুসরণ করে শিডিউল বিক্রি এবং দরপত্র গ্রহণের সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ (২১ ও ২২ আগস্ট) করা হয়েছে। কে সি এ কনসোর্টিয়াম নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, দরপত্র জমা দেওয়া কোনো প্রতিষ্ঠানের বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা অমূলক।