
আওয়ামী লীগের টিকিটে ঢাকা-১৩ আসন থেকে এবার প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে যাওয়া ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ লাখ ২৭ হাজার ৫০৯ টাকা জমা আছে। আর তাঁর স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে জমা ৪৫ লাখ ৯৩ হাজার ৭০৮ টাকা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় তিনি এই তথ্য উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার জায়গায় সাদেক খান নিজেকে ‘স্বশিক্ষিত’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর আয়ের উৎস হিসেবে মূলত বাড়ি ও দোকানভাড়া এবং ব্যবসার কথা উল্লেখ করেছেন। এ ক্ষেত্রে বাড়ি ও দোকানভাড়া থেকে ১২ লাখ ৫৩ হাজার ৫০ এবং ব্যবসা থেকে ২০ লাখ ২৫ হাজার ৮১৫ টাকা বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কোনো খাত উল্লেখ না করে ‘অন্যান্য’ বাবদ আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া হলফনামায় দেওয়া তথ্য থেকে জানা যায়, তাঁর কাছে নগদ টাকা আছে ১৮ লাখ ৭৮ হাজার ৩০০। স্ত্রীর কাছে আছে ৯ হাজার ৯৯৭ টাকা। সাদেক খান নিজ নামে বাস-ট্রাক, মোটরগাড়ি ও মোটরসাইকেলের আর্থিক মূল্য দেখিয়েছেন ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে এই অর্থের পরিমাণ ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
এদিকে সাদেক খানের কাছে সোনা, অন্যান্য মূল্যবান ধাতু ও পাথর নির্মিত অলংকারের আর্থিক মূল্য দেখানো হয়েছে ৩০ হাজার টাকা। স্ত্রীর কাছে স্বর্ণালংকার আছে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার। নিজ নামে ইলেকট্রনিক সামগ্রী দেখানো হয়েছে ৩৫ হাজার টাকার। স্ত্রীর নামে আছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার। এ ছাড়া নিজ নামে ৫০ হাজার ও স্ত্রীর নামে ১ লাখ ২৩ হাজার ৫০০ টাকার আসবাবের কথা উল্লেখ আছে হলফনামায়। তা বাদে ‘অন্যান্য’ খাতে তাঁর নামে অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৪২ লাখ ৮২ হাজার টাকার। সব মিলিয়ে সাদেক খানের নামে মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ৭৬ লাখ ৫২ হাজার ৮০৯ টাকার।
এদিকে স্থাবর সম্পদের হিসাবে সাদেক খান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তাঁর নিজ নামে অকৃষিজমি আছে ১ কোটি ৪১ লাখ টাকার। যৌথ মালিকানায় ১ কোটি ৩১ লাখ ৫২ হাজার ও স্ত্রীর নামে ১ কোটি ১২ লাখ ৩ হাজার টাকার জমির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
তাঁর নামে বাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্টের আর্থিক মূল্য দেখানো হয়েছে ২২ লাখ ৯০ হাজার টাকার। চা–বাগান, রাবার বাগান, মৎস্য খামার ক্যাটাগরিতে অর্থমূল্য দেখানো হয়েছে ৫ লাখ ৫৭ হাজার টাকা।
এ ছাড়া সাদেক খান ফিলিং স্টেশনের নামে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড ধানমন্ডি শাখা থেকে গাড়ি কেনা বাবদ ৩৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৩৮ টাকা ঋণ নেওয়ার কথা উল্লেখ আছে।