
অ্যাডভার্টাইজিং এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এএএবি) আয়োজনে রাজধানীর বনানীর ক্লাব ব্যাংকোয়েট হলে সম্প্রতি ‘নেটওয়ার্কিং হাব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অতিথি ছিলেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান। এ ছাড়া ৩৫টি বিজ্ঞাপনী সংস্থা থেকে ৬৫ জন প্রতিনিধি এতে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও ব্র্যান্ডের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা অংশ নেন। তাঁরা বাজারের পরিবর্তন, সৃজনশীলতার প্রভাব ও সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।
গ্রামীণফোনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চিফ মার্কেটিং অফিসার ফারহা নাজ জামানসহ মার্কেটিং বিভাগের প্রতিনিধিরা। এএএবির নির্বাহী কমিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি সানাউল আরেফিন, সহসভাপতি নাজিম ফারহান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহসানুল, যুগ্ম সম্পাদক এম এ মারুফ, সদস্য মোহাম্মদ রিসালাত সিদ্দিকী ও সদস্য মেহেরুন ইসলাম।
এএএবির যুগ্ম সম্পাদক এম এ মারুফ স্বাগত বক্তব্য দেন। এরপর সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আহসানুল একটি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন বিজ্ঞাপনশিল্পের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ; যার মধ্যে ছিল ভ্যাট ও ট্যাক্স ইস্যু, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা, এজেন্সি পিচ ফি ইত্যাদি। তিনি বর্তমান নির্বাহী কমিটির অধীন এএএবির সাম্প্রতিক সাফল্যের দিকগুলোও তুলে ধরেন।
এরপর সহসভাপতি নাজিম ফারহান চৌধুরী পরিচয় করিয়ে দেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমানকে। তিনি ভোক্তাদের বদলে যাওয়া আচরণ, সৃজনশীলতার প্রভাব, বড় ব্র্যান্ডের বাজেট ব্যবহারের পদ্ধতি এবং কনটেন্ট তৈরিতে এআই ব্যবহারের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।
আলোচনার শেষ পর্যায়ে ইয়াসির আজমান বলেন, ‘এই দ্রুত বদলে যাওয়া সময়ে মানিয়ে নিতে হবে, না হলে প্রতিদিন আরও পিছিয়ে পড়তে হবে।’ তিনি এএএবির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।
এএএবির সভাপতি সানাউল আরেফিন অতিথিকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন এবং ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমরা শুধু কাগজপত্রে সীমাবদ্ধ নই। আমরা কাজ করছি এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে, যেখানে বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনশিল্প বৈশ্বিক বাজারে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান অর্জন করবে।’