স্মৃতিতে কবি শামসুর রাহমান

একটি সাদা রঙের লোহার গেট। দোতলা বাড়ি। দোতলায় সিঁড়ি দিয়ে উঠে ডান দিকে একটি রুম। রুমে একটি কাঠের টেবিল। টেবিলটির ওপর বইয়ের স্তূপ, একটি চেয়ার, দু-তিনটি বুকশেলফ। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের ব্যবহার করা কক্ষ এটি। আজ ১৭ আগস্ট কবির মৃত্যুবার্ষিকী।
আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের পড়াশোনায় হাতেখড়ি পোগোজ স্কুলে। ঢাকা শহরেই তাঁর বেড়ে ওঠা। নাগরিক কষ্ট, দুঃখ-সুখ তাঁর কবিতায় বিশেষভাবে উঠে এসেছে। জীবনের সত্য-সুন্দরকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অনন্য। পাশাপাশি বাঙালির সব আন্দোলন-সংগ্রামের গৌরবদীপ্ত অধ্যায় ফিরে ফিরে এসেছে তাঁর কবিতায়। ২০০৬ সালের এদিনে তিনি মারা যান। কবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজকের ছবির গল্প।

১. রাজধানীর শ্যামলীতে কবি শামসুর রাহমানের নিজ বাড়ি।
১. রাজধানীর শ্যামলীতে কবি শামসুর রাহমানের নিজ বাড়ি।
গেট দিয়ে ঢোকার পর বারান্দায় তাঁকে নিয়ে শিল্পীদের আঁকা ছবি।
সিঁড়ির দেয়ালে ঝোলানো তাঁর বিভিন্ন সময়ের ছবি।
দেয়ালে ঝোলানো কবির বন্ধু ও পরিবার–পরিজনের ছবি।
কবির ব্যবহৃত চেয়ার, যেখানে বসে তিনি পড়তেন ও লিখতেন।
চলাফেরার সময় এই লাঠি ব্যবহার করতেন শামসুর রাহমান।
কবির ব্যবহার করা কলম, ঘড়ি ও চশমা
এসব কলম দিয়ে কবি লিখতেন
দোতলায় পড়ার টেবিলের পাশে বুকশেলফ
নিচতলার বুকশেলফ
কবির নাতি-নাতনির জন্য তৈরি করা দোলনা।