ফ্রিজে রাখা ছিল পঁচা মাংস। এসব মাংস ব্যবহার করা হতো রেস্তোরাঁর রান্নায়। চট্টগ্রাম নগরের একটি ‘নামী; রেস্তোরাঁয় অভিযানে গিয়ে এ চিত্র দেখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা। বুধবার এ অভিযান পরিচালনা করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বি এম মশিউর রহমান।
অভিযানে নগরের মুরাদপুর এলাকায় বারকোড ফুড জংশন রেস্তোরাঁর রান্নাঘরে গিয়ে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করা হচ্ছে। এ ছাড়া ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয়েছে পচা মাংস। একই সঙ্গে রাখা হয়েছে কাঁচা ও রান্না করা মাংস। আবার রান্নায় ব্যবহার করা হচ্ছে অনুমোদনহীন ঘি। এসব অপরাধে রেস্তোরাঁটিকে চার লাখ টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।
একই অভিযানে নগরের বাকলিয়া এলাকায় ফুলকলি ফুড প্রোডাক্ট ফ্যাক্টরিতে গিয়ে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন করা হচ্ছিল। এ ছাড়া মেয়াদে কারচুপি, লেভেলিং বিধানমালা লঙ্ঘন, নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধ দেখতে পান কর্মকর্তারা। এসব অপরাধে তাঁদের পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফারহান ইসলাম বলেন, অভিযানে গিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নিম্নমানের কাঁচামাল, পচা মাংসসহ বিভিন্ন বিষয় দেখা গেছে। এসব অপরাধে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে অভিযান চলবে।