
রাজশাহী শহরে থাকা ১৬৫টি পুকুর যেন দখল বা মাটি ভরাট না করা হয়, তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়াসহ চার দফা নির্দেশনাসংবলিত হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। অপর নির্দেশনায় পুকুরগুলোর আসল প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য বজায় রাখা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ৮ আগস্ট হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন।
পূর্ণাঙ্গ রায়ের প্রত্যায়িত অনুলিপি আজ সোমবার হাতে পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন রিট আবেদনকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, রায়ে আদালত চার দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনার মধ্যে অবিলম্বে এবং ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করে সুখান দিঘিকে তার আদি প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনতে ব্যবস্থা নিতে এবং দিঘির দখল করা অংশ পুনরুদ্ধার করতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।
রাজশাহীর পুকুর ভরাট-দখল নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে এইচআরপিবির পক্ষে ২০১৪ সালে রিটটি করা হয়। শুনানি নিয়ে ওই বছরের ২৬ মে হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। একই সঙ্গে রাজশাহী শহরে থাকা পুকুরের তালিকা ও সেগুলোর অবস্থা জানিয়ে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। পরবর্তী সময়ে তালিকা দাখিল করা হয়। রুলের শুনানি শেষে রায় দেন হাইকোর্ট। এটি একটি চলমান মামলা হিসেবে থাকবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।