
এ বছর বাংলাদেশ থেকে ৭৮ হাজার ৫০০ জন পবিত্র হজ পালন করবেন। ১৮ এপ্রিল হজ ফ্লাইট শুরু হবে।
হজ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির এক সভা আজ রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি হজ ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির সভাপতি। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হজযাত্রীদের সেবার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তাঁদের সেবার ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুরোধ জানান। এ ছাড়া পরের বছর থেকে আরবি ভাষায় দক্ষ ব্যক্তিদের হজ গাইড ও সহায়ক কর্মী হিসেবে নিয়োগের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী হজযাত্রীদের সেবায় সৌদিপ্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার কথা বলেন, যাতে তাঁরা ভালো সেবা দিতে পারেন। তিনি হজ এজেন্সিগুলোকে তিন দিনের মধ্যে হজযাত্রীদের বাড়ি বা হোটেল ও ফ্লাইটের তথ্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক পোর্টালে আপলোড করার নির্দেশ দেন। এ ছাড়া পবিত্র হজ শেষে হজ এজেন্সিগুলোর পারফরম্যান্স (কর্মদক্ষতা) মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ ২০২৬ সালে বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার অগ্রগতি ও সার্বিক কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। তিনি হজ ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জও তুলে ধরেন।
সভায় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, জনপ্রশাসন সচিব মো. এহছানুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, তথ্যসচিব মাহবুবা ফারজানাসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার ও হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমদ মজুমদারকে কমিটিতে কো-অপ্ট করার সিদ্ধান্ত হয়।