সিলেটের সুরমা নদীর পাড়ে জমে থাকা আবর্জনার স্তূপে প্লাস্টিকই বেশি
সিলেটের সুরমা নদীর পাড়ে জমে থাকা আবর্জনার স্তূপে প্লাস্টিকই বেশি

মাইক্রোপ্লাস্টিক: অদৃশ্য হয়ে ঢুকে পড়েছে দেহে, বাড়াচ্ছে ঝুঁকি

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার। অফিস শেষে বাজার করতে এসেছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী সোহেল রহমান। তিনি কোনো ব্যাগ আনেননি। বিক্রেতারা একের পর এক পলিথিনে তুলে দিচ্ছেলেন মাছ, সবজি, মাংস আর মুদি পণ্য। সোহেলও আপত্তি করছেন না। বরং তাঁর কাছে এটাই সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী। তিনি হাসতে হাসতে বললেন, ‘কাপড়ের ব্যাগ আনতে ভুলে গেছি। আর পলিথিন তো ফ্রি।’

প্লাস্টিকের ক্ষতি সম্পর্কে জানেন কি না—প্রশ্নে একটু ভেবে সোহেল বলেন, ‘নদী নোংরা হয়, এটা জানি। কিন্তু ছোট ছোট প্লাস্টিক যে শরীরে ঢুকে যায়, এটা ঠিক জানি না।’ সোহেলের গল্পটি আলাদা কিছু নয়। প্রতিদিন কোটি কোটি মানুষ সুবিধা, অভ্যাস ও কম খরচের কারণে প্লাস্টিক ব্যবহার করছেন। কিন্তু সেই প্লাস্টিকই এখন ধীরে ধীরে পৃথিবী দূষণে বড় হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। আর এর মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক।

নদী, সমুদ্র, মাটি, মাছ, লবণ, বৃষ্টির পানি—এমনকি মানুষের রক্ত, ফুসফুস, মায়ের বুকের দুধ ও গর্ভফুলেও পাওয়া যাচ্ছে অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা বা মাইক্রোপ্লাস্টিক। পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকেই মাইক্রোপ্লাস্টিক বলা হয়। বড় প্লাস্টিক ভেঙে ভেঙে ছোট কণা যেমন তৈরি হয়, তেমনি কিছু মাইক্রোপ্লাস্টিক শুরু থেকেই ছোট আকারের হয়।

বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা এখন মাইক্রোপ্লাস্টিককে ‘নীরব দূষণ’ হিসেবে দেখছেন। কারণ, এটি ধীরে ধীরে পরিবেশ ও মানবদেহে জমা হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেশের অন্তত ৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে মাটি, পানি ও জলজ প্রাণীর শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। আর এই মাইক্রোপ্লাস্টিকই মানবদেহে প্রবেশ করে তৈরি করছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

ঝুঁকি বাড়ছে দেশে

রাজধানীর আদাবরে রাস্তায় একটি ভ্যান নিয়ে প্লাস্টিকের ফেলে দেওয়া সামগ্রী সংগ্রহ করছিলেন আবু সাঈদ। এগুলো তিনি সংগ্রহের পর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করেন। আবু সাঈদ জানান, অন্তত ১৮ বছর ধরে এ কাজ করছেন তিনি।

এখন দিনে অন্তত ৩০ কেজি করে প্লাস্টিকসামগ্রী সংগ্রহ হয় আবু সাঈদের। বছর দশেক আগে এর পরিমাণ ছিল দৈনিক ৮ থেকে ১০ কেজি। তার এই তথ্য মেলে ধরে, প্লাস্টিক পণ্যের ব্যবহার কতটা বাড়ছে।

ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) গবেষক রাহাত মোস্তফা প্রান্তর ও তাঁর সহকর্মীদের করা ‘ফ্রম পলিউশন টু পলিসি: আ হলিস্টিক রিভিউ অব মাইক্রোপ্লাস্টিকস ইন দ্য এনভায়রনমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকির বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

এই গবেষণায় যে ৫৬টি স্থানে মাটি, পানি ও জলজ প্রাণীর শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে, তার মধ্যে বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, সুন্দরবনের আন্ধারমানিক নদী ও মেঘনার মতো নদীগুলোর তলদেশে মাাইক্রোপ্লাস্টিকের ঘনত্ব বেশি পাওয়া গেছে। ময়লার ভাগাড় বা ল্যান্ডফিল এলাকাগুলোতেও একই চিত্র দেখা গেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পরিবেশে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যাচ্ছে পলিইথিলিন ও পলিপ্রোপিলিন ধরনের প্লাস্টিক কণা। এগুলোর বড় অংশ এসেছে পলিথিন, বোতল, প্যাকেট ও সিনথেটিক কাপড় থেকে।

অনেকে মনে করেন প্লাস্টিক মানে শুধু বোতল বা পলিথিন। বাস্তবে কাপড়ও এখন বড় উৎস। পলিয়েস্টার, নাইলন বা অ্যাক্রিলিকের মতো সিনথেটিক কাপড় ধোয়ার সময় ক্ষুদ্র ফাইবার পানিতে মিশে যায়। ওয়াশিং মেশিন থেকে বের হওয়া এই তন্তুগুলো শেষ পর্যন্ত নদী বা সমুদ্রে পৌঁছায়। গবেষকদের মতে, বাংলাদেশের পরিবেশে পাওয়া মাইক্রোপ্লাস্টিকের একটি বড় অংশই এই সিনথেটিক ফাইবার।

এই ক্ষুদ্র কণাগুলো বাতাসে ভাসে, পানিতে মেশে, মাছের শরীরে ঢোকে, মানুষের খাবারে আসে। প্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর স্থায়িত্ব। একটি প্লাস্টিক বোতল পুরোপুরি ভাঙতে ৪০০ থেকে ৫০০ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কিন্তু ততদিনেও এটি পুরোপুরি হারিয়ে যায় না। বরং ছোট ছোট কণায় ভেঙে পরিবেশে থেকে যায়। অর্থাৎ প্লাস্টিক ‘অদৃশ্য’ হয়, কিন্তু ‘নষ্ট’ হয় না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্লাস্টিক এখন পৃথিবীর পরিবেশচক্রের অংশ হয়ে গেছে।

মানবদেহে ঢুকছে যেভাবে

মাইক্রোপ্লাস্টিক এখন নানাভাবে মানুষের শরীরে ঢুকে পড়ছে। অস্ট্রেলিয়ার ইউনিভার্সিটি অব নিউক্যাসেল ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর নেচারের (ডব্লিউডব্লিউএফ) এক গবেষণায় দেখা গেছে, একজন মানুষ প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় ৫ গ্রাম প্লাস্টিক গ্রহণ করছে। ওজনে এটি একটি ক্রেডিট কার্ডের সমান।

মাছ, লবণ, বোতলজাত পানি, বাতাস—সবকিছুর মাধ্যমেই শরীরে ঢুকতে পারে প্লাস্টিক কণা। ইতালির গবেষকেরা মানুষের প্লাসেন্টা বা গর্ভফুলেও মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত করেছেন, যা ‘এনভায়রনমেন্ট ইন্টারন্যাশনাল’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

২০২৪ সালে ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, রক্তনালিতে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি হৃদ্‌রোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ক্ষুদ্র কণাগুলো শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন প্রতিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি, ব্যবহার, ঝুঁকি ও টেকসই সমাধান নিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাকুয়াটিক জুলোজি রিসার্চ গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে কাজ করছে। তারা এই সমস্যা মোকাবিলায় একটি সমন্বিত কৌশল গ্রহণ করেছে। প্রথমে বিভিন্ন উপায়ে দূষণের উৎস ও মাত্রা শনাক্ত করা, এরপর দেশের জলজ পরিবেশে প্লাস্টিক দূষণের বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করা, এবং সবশেষে তা কমানোর জন্য সম্ভাব্য সমাধান প্রস্তাব করা—এই তিন ধাপে তারা কাজ করছে।

গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় আমরা দেখেছি, কীভাবে মাইক্রোপ্লাস্টিক জলজ বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যচক্রে আবর্তিত হচ্ছে, যা জলজ অন্যান্য প্রাণীর (যেমন মাছ) মাধ্যমে মানবদেহে প্রবেশ করছে।’

মাছের ওপর এর প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘যত্রতত্র ফেলে দেওয়া মাছ ধরার জাল আমাদের নদী তথা সামুদ্রিক পরিবেশে প্লাস্টিক দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ হিসাবে গবেষণায় প্রমাণিত। মাছকে মডেল অরগানিজম করে আমাদের করা গবেষণায় দেখা গেছে, মাইক্রোপ্লাস্টিকের প্রভাবে ভয়ংকরভাবে মাছের কোষীয় গঠন বদলে যায়, যা মাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি রোধ করে এবং মাছের গুণগত মান ও পুষ্টিগুণ কমায়।’

বিশ্ব কী করছে

বিশ্বের অনেক দেশ ইতিমধ্যে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমাতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্লাস্টিক স্ট্র, কটন বাড ও কিছু প্লাস্টিক পণ্য নিষিদ্ধ করেছে। কানাডা একবার ব্যবহারযোগ্য ক্ষতিকর প্লাস্টিক উৎপাদন ও আমদানি সীমিত করেছে। আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডা ও কেনিয়া প্লাস্টিক ব্যাগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন করেছে। ভারতও ১৯ ধরনের একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করেছে। জাতিসংঘও এখন বৈশ্বিক প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক চুক্তির আলোচনা চালাচ্ছে।

আশার কথা হচ্ছে, সমস্যা বড় হলেও সমাধানের পথ একেবারে বন্ধ নয়। গবেষকেরা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগ থাকলে প্লাস্টিক দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব। শুধু আইন করলেই হবে না, মানুষের জন্য সাশ্রয়ী বিকল্পও তৈরি করতে হবে।

জানে, তবু ছাড়তে পারছে না

মাইক্রোপ্লাস্টিকের সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো—মানুষ সচেতন হলেও প্লাস্টিক ব্যবহার ছাড়তে পারছে না। ‘মেরিন পলিসি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষক মো. সাখাওয়াত হোসেনের এক সমাজতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৬৬ শতাংশ মানুষ মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। ২২ শতাংশ আগে এ সম্পর্কে শুনেছিলেন।

জরিপে আরও দেখা যায়, প্রায় ৫৪ শতাংশ মানুষ স্বীকার করেছেন যে তাঁরা পুনর্ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ সঙ্গে নিতে ভুলে যান বলেই পলিথিন ব্যবহার করেন। অর্থাৎ সমস্যাটি শুধু সচেতনতার নয়, এটি অভ্যাস, সুবিধা ও সাশ্রয়ী বিকল্পেরও বিষয়। ঢাকার বাজারে দাঁড়িয়ে সোহেল রহমানও একই কথাই বলছিলেন, ‘কাপড়ের ব্যাগ নিতে সব সময় মনে থাকে না। আর বাজারে তো সবাই পলিথিনই দেয়।’

সাখাওয়াত হোসেনের গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬৪ শতাংশ মানুষ মনে করেন সরকার যদি বিনা মূল্যে বা কম দামে কাপড়ের ব্যাগ সরবরাহ করে, তাহলে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো সম্ভব।

টেকসই সমাধানের পথ কী

জলজ বাস্তুতন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল মানুষদের ওপর একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষের দারিদ্র্য ও প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারের মাঝে রয়েছে নিবিড় যোগসূত্র। মানুষের আচরণগত পরিবর্তন প্লাস্টিকের উৎপাদন থেকে শুরু করে এর ব্যবহার কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে, তাও দেখা গেছে গবেষণায়।

গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী বলেন, এই আচরণগত পরিবর্তনের জন্য দরকার স্কুল পর্যায় থেকে ‘অ্যাক্টিভ লারনিং’ ভিত্তিক পরিবেশ শিক্ষা কার্যক্রম। একজন মানুষ যখন ছোটবেলা থেকে পরিবেশ সুস্থ রাখার জন্য ‘করণীয়-বর্জনীয়’ শিখবে, তখন পরিবেশ ভালো থাকবে, দূষণ কমবে। বিজ্ঞানভিত্তিক পরিবেশবিষয়ক শিক্ষা, গবেষণা আর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে সবাইকে।

গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা একই সঙ্গে গবেষণায় জোর দিয়ে বলেন, আর্থিক অনুদানের অভাবে অনেক উন্নতমানের গবেষণা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও চলমান রাখা সম্ভব হয়ে ওঠে না, এ ব্যাপারে সরকারসহ সবাইকে আরও সচেতন হওয়া দরকার।

সরকার কী করছে

মাইক্রোপ্লাস্টিক যে পরিবেশের জন্য এক ভয়ানক সমস্যা সৃষ্টি করছে তা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে শুরু করে সরকারের নানা মহলে আলোচিত হচ্ছে। অধিদপ্তরের অতিরিক্তি মহাপরিচালক মো. জিয়াউল হক বলেছেন এটা পরিবেশের জন্য একটি উদ্বেগের বিষয়। তবে এই দূষণ থেকে রক্ষা পেতে নানা উদ্যোগ নেওয়া চলছে।

অধিদপ্তরের উপপরিচালক (বর্জ্য ও রাসায়নিক পদার্থ ব্যবস্থাপনা) আবদুল্লাহ আল মামুন প্রথম আলোকে বলেন, মাইক্রোপ্লাস্টিকের সমস্যার সমাধানে বিভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ প্লাস্টিকের কাঁচামালের ব্যবহার কমানো, ৫০ শতাংশ পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার ৯০ ভাগ কমিয়ে আনা এবং ৩০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্য কমানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ১৭টি একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিককে শনাক্ত করা হয়েছে ইতিমধ্যে। মাইক্রোপ্লাস্টিকের দূষণ কমাতে ইতিমধ্যে গবেষণা, প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও হচ্ছে বলে জানান আবদুল্লাহ আল মামুন।