মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠছেন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বের হয়ে গাড়িতে উঠছেন দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন

কেন পদত্যাগ, ব্যাখ্যা দিলেন দুদক চেয়ারম্যান

নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার আসার পর নেতৃত্বের বদল ঘটছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে, দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) সেই পথ তৈরি হয়েছে। পদত্যাগ করেছেন দুদকের চেয়ারম্যান আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, নতুন সরকারের নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথটি সুগম করতেই এই পদক্ষেপ।

সাবেক সচিব আবদুল মোমেন অন্তর্বর্তী সরকার আমলে ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর দুদক চেয়ারম্যানের পদে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে দুদক কমিশনার পদে নিয়োগ পান মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্‌সান ফরিদ।

বিএনপির নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই সপ্তাহ পর আজ মঙ্গলবার তাঁরা তিনজনই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরপর কার্যালয় ত্যাগ করার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

আবদুল মোমেন বলেন, পদত্যাগের বিশেষ কোনো কারণ নেই। নতুন সরকারের নিজস্ব প্রত্যাশা ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে হয়তো তাঁদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য কমিশন প্রয়োজন হতে পারে, এমন ভাবনা থেকেই এ সিদ্ধান্ত।

দুদকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন

সরকার পরিবর্তনের পর এটাকে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, একটি রাজনৈতিক সরকার তার নিজস্ব ম্যানিফেস্টো ও প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করতে চাইবে—এতে অস্বাভাবিক কিছু দেখেন না তিনি। তাঁর ভাষ্য, তাঁরা অনুভব করেছেন—এখন তাঁদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য ব্যক্তিদের কাজ করার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এতে কমিশন যেমন উপকৃত হবে, তেমনি রাষ্ট্রেরও উপকার হবে।

বিধিবদ্ধ এ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পাওয়ার পর তা পালনে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছেন দাবি করে আবদুল মোমেন বলেন, ‘যার সাক্ষী আপনারাই।’ নিজেদের কাজের মূল্যায়নের ভার জনগণের ওপর ছেড়ে দিয়ে তিনি বলেন, তাঁরা কতটা সফল হয়েছেন, তা জনগণই ভালোভাবে বিচার করতে পারবে।

গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানিয়ে আবদুল মোমেন বলেন, ‘আপনারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন, এ জন্য আমরা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।’