
ঈদ সামনে রেখে চুরি-ছিনতাই ও জাল টাকার কারবারিদের দৌরাত্ম্য বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে তালিকা ধরে এসব অপরাধীকে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।
আজ সোমবার ডিএমপি সদর দপ্তরে গত মার্চ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এই নির্দেশ দেন তিনি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু পাহারা দিয়ে অপরাধ দমন করা যায় না, অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে। তাই অপরাধ প্রতিরোধে সামনের দিনগুলোতে ডিএমপির সব কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কমিশনার বলেন, ১৫ রোজা শেষ হয়ে গেছে। এখন মার্কেটগুলোতে ধীরে ধীরে ভিড় বাড়তে থাকবে। এ সময় মলম পার্টি ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা বেড়ে যায়। এ জন্য থানার টহল আরও জোরদার করতে হবে। প্রয়োজনে বিশেষ দল করে এদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
ট্রাফিক ডিভিশনের উদ্দেশে কমিশনার বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে যানজটের চাপ বেড়ে যায়। যানজট নিরসনে প্রয়োজনে ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে ঢাকার প্রবেশমুখগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে।
করোনার কারণে গত দুই বছর মানুষ বাড়িতে তেমন যায়নি। সে তুলনায় এ বছর বেশি মানুষ রাজধানী ছাড়বে। ঈদের ছুটিতে রাজধানীতে যাতে কোনো অপরাধ না ঘটে, সে জন্য বাসাবাড়ির নিরাপত্তাপ্রহরীদের সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ সদস্যদের কাজ করতে বলা হয়েছে। ঢাকা ছাড়ার আগে নগরবাসীকে দামি জিনিসপত্র ও অলংকার নিকট–স্বজনদের কাছে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। যদি নিকটাত্মীয় না পাওয়া যায়, সে ক্ষেত্রে প্রয়োজনে থানায় রেখে যাওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়।