
মোটরসাইকেল চলাচল নীতিমালা, ২০২৩ এর খসড়া নিয়ে মঙ্গলবার এক নীতি বিতর্কের আয়োজন করেছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (এসআইপিজি)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘মোটরসাইকেল চলাচল নীতিমালা, ২০২৩ (খসড়া) কতটা যৌক্তিক?’ শীর্ষক এই নীতি বিতর্কে খসড়া নীতিমালায় দুটি পরিবর্তন আনাসহ কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চলতি বছরের মার্চ মাসের হিসাব অনুযায়ী, সারা দেশে ৩৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪১৫ জন। এর মধ্যে মোটরসাইকেলে ১০০টি দুর্ঘটনায় নিহত হন ৮৭ জন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার জন্য যানটির বেপরোয়া গতিকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়ী করা হয়ে থেকে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ‘মোটরসাইকেল চলাচল নীতিমালা, ২০২৩’ প্রণয়নের উদ্যোগ নেয় সরকার। এতে শহরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার করা, মহাসড়কে মোটরসাইকেলে আরোহী বহন না করা এবং ১২৬ সিসি ইঞ্জিনের নিচে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ করাসহ বেশ কিছু প্রস্তাব করা হয়েছে।
এনএসইউ’র নীতি বিতর্কে খসড়া নীতিমালায় দুটি পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়। এক. সড়কে মোটরসাইকেলের গতিসীমা সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার আর মহাসড়কে ৯০ কিলোমিটার নির্ধারণ। দুই. ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতে মোটরসাইকেল চলাচল নীতিমালা প্রণয়ন।
এ ছাড়া নীতি বিতর্কে উঠে আসা সুপারিশের মধ্যে রয়েছে— উন্নত দেশের মতো হাইব্রিড মডেল অনুসরণ করা, হেলমেট পরিধান না করলে জরিমানার যে বিধান আছে তা বাস্তবায়ন করা, গণপরিবহনের সুবিধা নিশ্চিত করা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা লেন করা।
নীতি বিতর্কে সঞ্চালক হিসেবে ছিলেন এসআইপিজি’র পরিচালক ও এনএসইউ’র রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এসকে তৌফিক এম হক। এতে এনএসইউ’র শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত তুলে ধরেন।