
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর যৌথ বার্ষিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ আগামীকাল রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। দুই দেশের সামরিক বাহিনীর ১৬০ জনের বেশি সদস্য এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছেন।
আজ শনিবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই যৌথ মহড়ার মাধ্যমে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এবং বাস্তব পরিস্থিতিতে কাজ করার সক্ষমতা বাড়বে।
এবারের ‘টাইগার লাইটনিং-২৬’ মহড়ায় বনাঞ্চলে অভিযান, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে যৌথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ দুই দেশের সামরিক বাহিনীকে একে অপরের কর্মদক্ষতা ও কৌশল সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার সুযোগ করে দেবে বলে আশা করা হয়।
দ্বিপক্ষীয় মহড়াটি মূলত ‘ইউএস আর্মি প্যাসিফিক’-এর থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান ও নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এর মূল লক্ষ্য পেশাদার সম্পর্ক জোরদার করা, সামরিক দক্ষতা ও প্রস্তুতি বাড়ানো এবং বাংলাদেশ ও মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও যৌথভাবে কাজ করার সক্ষমতা (ইন্টারঅপারেবিলিটি) আরও উন্নত করা।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও মার্কিন সেনাবাহিনীর দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ প্রথম শুরু হয়েছিল ২০১৭ সালে। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে মাঝখানে মহড়াটি সাময়িকভাবে স্থগিত থাকলেও পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে এটি ধারাবাহিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এবারের মহড়াটি শ্রেণিকক্ষ ও মাঠপর্যায়—উভয় পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী পর্বে থাকবে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ বা মাঠপর্যায়ের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ।