রাজধানীর দক্ষিণ বনশ্রীর একটি বাসা থেকে ফাতেমা আক্তার নামের এক স্কুলছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, এটি হত্যাকাণ্ড। জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে তারা।
আজ শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীর এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
খিলগাঁও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফাতেমা আক্তার (১৭) বনশ্রীর রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-বাবা, ভাই ও বোনের সঙ্গে ওই বাসায় থাকত সে। তাদের গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে। তার বাবা সজীব মিয়া বনশ্রীতে একটি রেস্তোরাঁ চালান। দুই দিন আগে তার মা-বাবা ও ভাই হবিগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে যান। ঢাকায় সে ও তার বোন ছিল। বিকেলে ফাতেমার বোন জিমে যান। ফিরে এসে ফাতেমার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহে কাজ করছে পুলিশ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বাসা ও আশপাশের সিসি (ক্লোজসার্কিট) ক্যামেরা যাচাই-বাছাই করেছেন তাঁরা। ফাতেমার বাবা সজীব মিয়ার রেস্তোরাঁয় কাজ করা এক যুবক দুপুরে খাবার খেতে ওই বাসায় ঢুকেছিল বলে জেনেছেন তাঁরা। প্রাথমিকভাবে ওই যুবককে সন্দেহ করা হচ্ছে।
খিলগাঁও থানার ওসি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবার গ্রাম থেকে ফিরলে মামলা করা হবে।