
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। আজ শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের রাস্তার পাশে এ অগ্নিকাণ্ডে ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। স্থানীয় ব্যক্তিদের নিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি প্রথম আলোকে জানিয়েছেন ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক ও পুলিশ সুপার নাঈমুল হক। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।
উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একজন কর্মকর্তা জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে ক্যাম্প-৭ এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল-সংলগ্ন একটি দোকানে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পার্শ্ববর্তী অন্য দোকানগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন, এপিবিএন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এর আগে গত ৯ জানুয়ারি উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা নামের একটি শরণার্থীশিবিরে অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ৬০০ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে তিন হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় হারান। ২ জানুয়ারি উখিয়া বালুখালী ২০ নম্বর ক্যাম্পে আগুনে জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা (আইওএম) পরিচালিত করোনা হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টার পুড়ে ছাই হয়ে যায়। গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীতে আগুনে পুড়ে ১৫ জন রোহিঙ্গা মারা যান। তখন প্রায় ১০ হাজারের মতো ঘর পুড়ে ছাই হয়েছিল।