
আমির হোসেন মল্লিকের বয়স ৭৭। শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বাসিন্দা তিনি। আজ শনিবার সকাল সাড়ে সাতটায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত শিবচরের কাঁঠালবাড়ি এলাকায় আয়োজিত সমাবেশস্থলে পৌঁছান তিনি। জনস্রোতে টিকতে না পেরে বের হয়ে আসেন। সমাবেশস্থলের কাছে একটি চায়ের দোকানে কথা হয় তাঁর সঙ্গে।
আমির হোসেন মল্লিক বলেন, ‘আমার জীবনে এত বড় জনসভা দেখি নাই। এত উৎসাহ এত আনন্দ আর দেখি নাই। এই সেতু হবে কল্পনা করি নাই। এই সেতু আমাদের গর্বের, আনন্দের।’
আজ দুপুর ১২টায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষে কাঁঠালবাড়ির সমাবেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সমাবেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষ জড়ো হওয়ার কথা আছে। কিন্তু ভোর থেকেই সমাবেশস্থলে নেমেছে মানুষের ঢল। দক্ষিণের নানা প্রান্ত থেকে দলে দলে মানুষ আসছেন সমাবেশস্থলে। সকালের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পড়ল এ দৃশ্য। নানা রঙের টি-শার্ট তাঁদের গায়ে। ঢাক, ঢোল ও বাঁশি বাজিয়ে আসছেন তাঁরা। নাচতে নাচতে, মিছিল করতে করতে আসছেন। অনেকের হাতে ব্যানার-ফেস্টুন।
সাতক্ষীরা জেলা থেকে আসা সোহেল উদ্দিন সরকার বলেন, ‘এত মানুষ আগে দেখিনি। লোকে লোকারণ্য।’
ইতিমধ্যে সকাল ১০টায় পদ্মার মাওয়া প্রান্তের সুধী সমাবেশে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সমাবেশ শুরু হয়েছে। মাওয়া প্রান্তে সুধী সমাবেশে ভাষণ শেষে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। অমনি খুলে যাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার সঙ্গে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অপরাপর অংশের জন্য সংযোগ, যোগাযোগ ও সম্ভাবনার অনন্ত দুয়ার।