
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নে আলুখেত পাহারায় থাকা মো. মিজান খাঁ (২১) নামের এক তরুণকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার পরে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহত মিজানের খালাতো ভাই সুমন ঢালী। মিজান পূর্ব সুমারঢালীকান্দির মোহাম্মদ আলী আকবরের ছেলে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. রাজিব খান প্রথম আলোকে বলেন, মিজান খাঁকে হত্যার ঘটনায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি হয়েছে। সুপার মিজি নামের একজনকে এ মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক। তাঁদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, কিছুদিন আগে আলুখেতে ওষুধ ছিটানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মিজি বংশের সুপার মিজির সঙ্গে মিজানের ঝগড়া হয়। সে সময় তাঁদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন মিজানের খালাতো ভাই সুমন ঢালী।
মিজানের স্বজনেরা জানান, সুমন ঢালীদের জমির তোলা আলু পাহারা দিতেন মিজান ও তাঁর বন্ধু আবদুর রহমান। গত সোমবার রাতে মিজান ও আবদুর রহমান ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত দেড়টার দিকে মিজি বংশের লোকজন ঘুমন্ত অবস্থায় তাঁদের ওপর হামলা করেন। এতে গুরুতর আহত হন দুজন। পরে মিজান মারা যান।
মিজানের বাবা মো. আলী আকবর বলেন, চার ছেলে ও এক মেয়ে তাঁর। মিজান সবার ছোট। তাঁরা সবাই ঢাকায় থাকেন। মিজান জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য সম্প্রতি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। তাঁর খালাদের বাড়িতে থাকতেন। কে জানত, এভাবে তাঁর ছেলেকে মেরে ফেলা হবে। তিনি তাঁর ছেলে হত্যার বিচার চান।