
স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সন্দেহে বন্ধু ফরিদ উদ্দিন ভূঁইয়াকে খুন করেন সালাউদ্দিন। গত শুক্রবার চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নে নিজ বাড়ি থেকে ফরিদের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি সালাউদ্দিন ও তাঁর সহযোগী আবদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো. মিলন মাহমুদ। তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডের সহযোগী আবদুর রহমানকে গাজীপুর থেকে আটক করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর স্বীকারোক্তি মোতাবেক প্রধান আসামি সালাউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মো. মিলন মাহমুদ আরও বলেন, হত্যার শিকার ফরিদ উদ্দিন ও সালাউদ্দিন দুজন বন্ধু ছিলেন। সালাউদ্দিন দুই বিয়ে করায় তিনি মাঝেমধ্যে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে চট্টগ্রামে থাকতেন। এ সময় সালাউদ্দিনের প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ফরিদ অনৈতিক সম্পর্কে জড়াতেন বলে তিনি সন্দেহ করেন। তা ছাড়া ঘটনার দিন রাতে ফরিদের মানিব্যাগে ১০ হাজার টাকা দেখতে পান সালাউদ্দিন। টাকার লোভ ও সন্দেহের বশবর্তী হয়ে সালাউদ্দিন তাঁর সহযোগীকে নিয়ে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। ধারালো দা দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে ফরিদকে হত্যা করে পালিয়ে যান তাঁরা।
পুলিশ সুপার বলেন, এ ঘটনায় ফরিদ উদ্দিনের বোনের জামাই দুলাল চৌধুরী গত শনিবার অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।