কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের নাটোর জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাসিরুর রহমান খান চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁকে রাজধানীর মিরপুরের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ বুধবার দুপুরে তাঁকে নাটোর আমলি আদালতে নেওয়া হয়েছে।
বাসিরুর রহমান নাটোর শহরের চৌধুরীপাড়ার বাসিন্দা। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে হামলা, হত্যা ও অস্ত্র আইনে অন্তত এক ডজন মামলা আছে।
নাটোর থানা ও আদালত পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, র্যাবের সদস্যরা বাসিরুর রহমানকে ঢাকার মিরপুরের একটি বাসা থেকে গতকাল সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করেন। খবর পেয়ে নাটোর সদর থানার পুলিশ তাঁকে ঢাকা থেকে প্রথমে নাটোর সদর থানায় নিয়ে আসে। পরে তাঁকে গোয়েন্দা কার্যালয়ের মাধ্যমে সদর আমলি আদালতে নেওয়া হয়। তাঁকে ২০২৪ এর ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে করা মামলায় এবং আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলামের বাসায় সংঘটিত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে শহরের কানাইখালির ছাত্রদল নেতা সুজন হত্যা মামলাসহ অন্তত ডজনখানেক মামলা আছে। সেগুলো যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে।
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ফরহাদ আলী দেওয়ান বলেন, বাসিরুর রহমান একজন সন্ত্রাসী। তাঁর ছোড়া গুলিতে বিএনপির অনেক নেতা-কর্মী আহত-নিহত হন। তাঁর বিরুদ্ধে অনেকেই কোনো অভিযোগ করার সাহস পেতেন না। তাঁকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভালো করেছে। এখন তাঁর কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে।
নাটোর আদালত পুলিশের পরিদর্শক মাহবুব হোসেন দুপুর ১২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, বাসিরুর রহমানকে আদালতে নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো বিচারকের সামনে হাজির করা হয়নি। বিভিন্ন আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।