জামালপুরে স্কুলছাত্র হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয়রা। আজ রোববার
জামালপুরে স্কুলছাত্র হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছে স্থানীয়রা। আজ রোববার

জামালপুরে স্কুলছাত্র হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

জামালপুরে স্কুলছাত্র মোহাম্মদ জিহাদ হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন তাঁরা। এর আগে সকাল ১০টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার নারিকেলী এলাকায় ‘গহেরপাড়া এলাকার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে মানববন্ধন হয়।

নিহত কিশোর মোহাম্মদ জিহাদ হাসান (১৬) জামালপুর সদর উপজেলার গহেরপাড়া এলাকার মো. ফিরোজ মিয়ার ছেলে। সে নারিকেলী উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

মানববন্ধন শেষে আন্দোলনকারীরা জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করলে সড়কের উভয় পাশে বিভিন্ন গন্তব্যের যানবাহন আটকা পড়ে। এ সময় আন্দোলনকারীরা জিহাদের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা সড়ক অবরোধ তুলে নেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন নিহত জিহাদের মা শোভা বেগম, বাবা ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।

গত বুধবার রাতে জিহাদ হাসানকে ডেকে নিয়ে বাড়ির কাছের একটি ফাঁকা জায়গায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জিহাদের বাবা গত বৃহস্পতিবার জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও চার থেকে পাঁচজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, জিহাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল। তবে আজ সকালেই অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। আন্দোলনকারীদের প্রধান আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়। পাশাপাশি বাকি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেওয়া হয়। পরে আন্দোলনকারীরা সড়কটি ছেড়ে দেন।