খুলনা নগরের সিএস আভা সেন্টারে তিন দিনব্যাপী তৃতীয় উপকূলীয় পানি সম্মেলন শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে
খুলনা নগরের সিএস আভা সেন্টারে তিন দিনব্যাপী তৃতীয় উপকূলীয় পানি সম্মেলন শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে

উপকূলীয় পানি সম্মেলন শুরু : পানি প্রতিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্বারোপ

‘পানি প্রতিবেশ সুরক্ষাই টেকসই উন্নয়ন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে খুলনায় তিন দিনব্যাপী তৃতীয় উপকূলীয় পানি সম্মেলন শুরু হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে নগরের সিএস আভা সেন্টারে সম্মেলনের সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে বিশেষ পরামর্শ সভার মধ্য দিয়ে এ সম্মেলন শুরু হয়। দেশের ৬০টির বেশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

সম্মেলনের প্রথম দিনে প্রস্তাবিত ‘খুলনা ঘোষণা’র খসড়ার ১২টি মূল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এতে উপকূলীয় পানি ব্যবস্থাপনা, পানি প্রতিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, ন্যায়ভিত্তিক পানিশাসন ও সম্প্রদায়ভিত্তিক অভিযোজন উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করতে অংশীদারদের অভিজ্ঞতা ও সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সুন্দরবন একাডেমির প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আনোয়ারুল কাদিরের সঞ্চালনায় খসড়া প্রস্তাবনা উপস্থাপনা করেন অ্যাওসেডের টিম লিড (নলেজ ম্যানেজমেন্ট) মো. সালাহ উদ্দিন। প্রারম্ভিক বক্তব্য দেন সম্মেলন কমিটির সদস্যসচিব শামীম আরফিন।
কর্মশালায় মতামত উপস্থাপন করেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, ডিওআরপির আমির খসরু, মোহাম্মদ জোবায়ের হাসান, নাইস ফাউন্ডেশনের এম মুজিবুর রহমান, উদয়ন বাংলাদেশ থেকে আসাদুজ্জামান শেখ, লোকজের দেব প্রসাদ সরকার, ধ্রুবর উত্তম দাস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল কাদের, কোস্টাল ভয়েস অব বাংলাদেশ থেকে কৌশিক দে, আবু হেনা মোস্তফা জামাল, সাংবাদিক এহতেশামুল হক, আবদুল্লাহ আল মামুন রুবেল, গ্রগতির আশেক-ই-এলাহী প্রমুখ।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা উপকূলীয় পানি প্রতিবেশ সংরক্ষণ, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পানি অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ পানিশাসনব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
আজ রোববার সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে একই স্থানে দুটি সেশনে পৃথক পৃথকভাবে ১০টির বেশি প্রবন্ধ উপস্থাপন, পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন করা হবে।