বৃদ্ধ গোলাপী বেগমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃদ্ধ গোলাপী বেগমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনা যখনই আসবেন, ফাঁসি হবে: পর্যটনমন্ত্রী

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখনই ফিরবেন, তাঁর ফাঁসি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, শেখ হাসিনাসহ পালিয়ে থাকা ব্যক্তিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

আজ শুক্রবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে এক অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী এ কথা বলেন। রাজধানীর শাহবাগে বসবাস করা অসহায় বৃদ্ধ গোলাপী বেগমের জন্য নবীনগর উপজেলার রতনপুর গ্রামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে অনুষ্ঠানে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, যখন বাংলাদেশে আসবে, ফাঁসি হবে। তিনি বলেন, ‘মাঝে মাঝে শুনি যে উঁকি দিয়ে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নাকি উনি এখানে আসবেন। আমরা বলি, ৩১ ডিসেম্বর কেন যখনই আসবেন, তখনই আইনের মাধ্যমে রিসিভ (গ্রহণ) করব। বাংলাদেশের মানুষের ওপর যে মানবতাবিরোধী আচরণ করেছেন, তার বিচার বাংলাদেশের মাটিতেই হবে।’

ভারতকে উদ্দেশ করে রশিদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করেছি পার্শ্ববর্তী দেশকে—অতিসত্বর শেখ হাসিনাসহ তাঁর দোসরেরা যাঁরা পালিয়ে আছেন, তাঁদের আমাদের কাছে ফেরত দেওয়া হোক।’

এ সময় পর্যটনমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে মানবিক নেতা হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন। তবে সারা দেশের যে চলমান অবস্থা, তা ঠিক করতে কিছুটা সময় দিতে হবে। কারণ, আমরা যে রাষ্ট্র পেয়েছি, তার অবস্থা খুবই ভঙ্গুর; অর্থনৈতিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। যার কারণে প্রতিটি সেক্টর এমনকি গ্যাস, বিদ্যুতের সংকট রয়েছে।’

বৃদ্ধ গোলাপী বেগমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া উপহারের ঘরের চাবি হস্তান্তর করছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত

রশিদুজ্জামান বলেন, মূলত জ্বালানির উন্নয়নে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকার কোনো কাজ করেনি, বরং লুটপাট করার জন্য বিভিন্ন প্ল্যান্ট (বিদ্যুৎকেন্দ্র) করেছে। যেগুলো চলুক বা না চলুক বসিয়ে বসিয়ে টাকা দেওয়া হয়েছে। এভাবে লাখ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে এই অবস্থা করেছে।

অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল মান্নান, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, আমরা বিএনপি পরিবারের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।