সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব। আজ রোববার সকালে লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব। আজ রোববার সকালে লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হবে: লালমনিরহাটে ত্রাণমন্ত্রী

সরকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন করে বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।

আজ ‎রোববার সকালে লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ি শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ‘জাকাতভিত্তিক আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্প’ উদ্বোধন শেষে আসাদুল হাবিব সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় আকস্মিক বন্যায় ধান তলিয়ে যাওয়ায় কৃষকেরা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। সরকার এই দুর্যোগে কৃষকদের পাশে আছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বিশেষ কার্ড দেওয়া হবে, যার আওতায় তাঁরা আগামী তিন মাস নিয়মিত খাদ্যশস্য ও আর্থিক অনুদান পাবেন।

তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন বিষয়ে আসাদুল হাবিব বলেন, ‘সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেশের উত্তরাঞ্চলের জীবন-মরণ সমস্যা তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে আমি বক্তব্য রাখলে উপস্থিত সরকার ও বিরোধীদলীয় এমপিদের সবাই এর সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।’ তিনি জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রকল্পের কারিগরি সমীক্ষা ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। খুব দ্রুতই এর মাঠপর্যায়ের কাজ শুরু হতে পারে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে আত্মকর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হয়। ২০ জনকে গরু, ২০ জনকে সেলাই মেশিন, ৩৩ জনকে মুদিদোকানের সামগ্রী ও ২০ জনকে প্যাডেলচালিত ভ্যান দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।