যশোরে প্রাইভেট কারের আরোহীর শরীরে লুকানো ছিল তিন কেজি সোনা

প্রাইভেট কারে তল্লাশি করে চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয় তিনজনকে
 ছবি: সংগৃহীত

যশোরের বেনাপোল থেকে চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার বেনাপোল বন্দর থানার দৌলতপুর গ্রামের বারোপোতা বাজার এলাকায় একটি প্রাইভেট কারের আরোহীর শরীরে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় এসব সোনা উদ্ধার করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোনার পরিমাণ প্রায় তিন কেজি। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। জব্দ করা হয়েছে প্রাইভেট কারটি।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের সাইদুর রহমান মাজেদ (৩৩), যশোর সদর উপজেলার বাগডাংগা গ্রামের সাইফুল ইসলাম (৩৬) ও যশোরের শার্শা উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মাসুদ চৌধুরী বাবু (৩১)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে বেনাপোল বন্দর থানার দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে সোনার একটি চালান বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার হতে পারে—এমন সংবাদ পেয়ে খুলনা ২১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তানভীর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল দৌলতপুর গ্রামের বারোপোতা বাজারের উত্তর দিকে সড়কের পাশে অবস্থান নেয়। বেলা ১১টার দিকে বেনাপোল থেকে সড়কপথে দৌলতপুরের দিকে একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কার আসতে থাকে। প্রাইভেট কারটি টহল দলের কাছে এলে সংকেত দিয়ে সেটি থামানো হয়। প্রাইভেট কারের মধ্যে তিন ব্যক্তি ছিলেন। তাঁদের তল্লাশি করে একজনের শরীরে স্কচটেপ দিয়ে জড়িয়ে লুকানো রাখা অবস্থায় চারটি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা সোনার পরিমাণ ২ কেজি ৯৪০ গ্রাম। এ সময় জব্দ করা হয় প্রাইভেট কারটি। সোনা ও প্রাইভেট কারের বাজারমূল্য ২ কোটি ৯৭ লাখ ৩৫ হাজার ৮৪০ টাকা। আটক করা হয় তিনজনকে।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তানভীর রহমান বলেন, আটক তিন পাচারকারীর বিরুদ্ধে বেনাপোল বন্দর থানায় সোনা পাচার মামলা হয়েছে। তাঁদের থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা সোনা ট্রেজারি কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে।